...|...|...

লাইফস্টাইল

মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে যেসব খাবার

টাইমস টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৯:৫৫
Shares
মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে যেসব খাবার

ছবি: সংগৃহীত

মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ও স্মৃতিশক্তি বজায় রাখতে পুষ্টিকর এবং সুষম খাবার গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো একক অলৌকিক খাবার রাতারাতি অলৌকিক পরিবর্তন আনতে না পারলেও নিয়মিত সঠিক পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ খাবার খেলে দীর্ঘমেয়াদে মস্তিষ্ক সুস্থ ও সক্রিয় থাকে। স্নায়ু বিশেষজ্ঞ ও পুষ্টিবিদদের মতে, দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় কয়েকটি বিশেষ খাবার যুক্ত করলে মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বৃদ্ধি পায়।

নিচে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক এমন ৫টি গুরুত্বপূর্ণ খাবারের বিবরণ দেওয়া হলো:

আখরোট: মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আখরোট অত্যন্ত কার্যকর। এতে উচ্চমাত্রায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও প্রাকৃতির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা মস্তিষ্কের নিউরনকে প্রদাহ ও অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করে। এটি মানসিক দক্ষতা বৃদ্ধি ও স্মৃতিশক্তি সচল রাখতে কাজ করে।

ডিম: সহজলভ্য ও পুষ্টিকর এই খাবারটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন এবং 'কোলিন' নামক পুষ্টি উপাদান। কোলিন মস্তিষ্কে অ্যাসিটাইলকোলিন নামের নিউরোট্রান্সমিটার তৈরিতে ভূমিকা রাখে, যা তথ্য শেখার ক্ষমতা, স্মৃতিধারণ এবং স্নায়ুকোষের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে সহায়ক।

তৈলাক্ত মাছ: সার্ডিন, ম্যাকারেল বা ইলিশের মতো তৈলাক্ত মাছ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের উৎকৃষ্ট উৎস। এতে থাকা ডিএইচএ (DHA) মস্তিষ্কের কোষঝিল্লির প্রধান উপাদান হিসেবে কাজ করে এবং সুস্থ নিউরন বজায় রাখতে সরাসরি ভূমিকা পালন করে।

কুমড়োর বীজ: আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, জিংক ও কপারের মতো প্রয়োজনীয় খনিজে সমৃদ্ধ কুমড়োর বীজ মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য অনন্য। জিংক মস্তিষ্কের স্নায়ু সংকেত পরিবহনে সাহায্য করে এবং ম্যাগনেসিয়াম পুরো স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত ও স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে।

বেরি জাতীয় ফল: স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি বা দেশীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ফলে থাকা 'অ্যান্থোসায়ানিন' ও 'পলিফেনল' মস্তিষ্কের কোষগুলোর মধ্যে আন্তঃযোগাযোগ বৃদ্ধি করে। নিয়মিত এসব ফল খেলে বয়সের সাথে সাথে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার প্রবণতা ধীর হয়ে আসে।

বিশেষ পরামর্শ: শুধু নির্দিষ্ট দু-একটি খাবার খেলেই মস্তিষ্কের পূর্ণ বিকাশ সম্ভব নয়। এর পাশাপাশি প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় সুষম পুষ্টি রাখা, নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা এবং শারীরিক ব্যায়াম বা সক্রিয়তা বজায় রাখা মস্তিষ্ককে দীর্ঘমেয়াদে কর্মক্ষম রাখতে অপরিহার্য।