...|...|...

বিশ্ব

৪ থেকে ৮ বছর বয়সী মেয়েদের টিকাদানে ডব্লিউএইচওর বার্তা

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, বিকেল ৩:২৩
Shares
৪ থেকে ৮ বছর বয়সী মেয়েদের টিকাদানে ডব্লিউএইচওর বার্তা

ছবি: সংগৃহীত

৪ থেকে ৮ বছর বয়সী মেয়েদেরও এইচপিভি টিকা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে দেশগুলোকে সুপারিশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। টিকার আওতা বাড়াতে সহায়ক হলে এ উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) জেনেভা থেকে এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। সুপারিশটি তুলে ধরেন ডব্লিউএইচওর টিকাদানবিষয়ক বিশেষজ্ঞ উপদেষ্টা গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান অ্যান্থনি স্কট।

তিনি জানান, বিশ্বের প্রায় ১৬৫টি দেশে এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচি চালু হয়েছে। তবে বিশ্বজুড়ে টিকা গ্রহণের হার মাত্র ৩৩ শতাংশ। অথচ ডব্লিউএইচওর লক্ষ্য ৯০ শতাংশ।

সংস্থাটির মতে, ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সী মেয়েদের টিকাদানকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। ২০২২ সালে এ বয়সী মেয়েদের এক বা দুই ডোজ টিকা দেওয়ার সুপারিশ করেছিল বিশেষজ্ঞ গোষ্ঠী।

নতুন গবেষণার তথ্য পর্যালোচনা করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এক ডোজ টিকা দেওয়ার পদ্ধতিই বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সবচেয়ে কার্যকর।

অ্যান্থনি স্কট বলেন, টিকার আওতা বাড়ানোর সুযোগ থাকলে দেশগুলো ৪ থেকে ৮ বছর বয়সী মেয়েদের নিয়মিত টিকাদানের বিষয়টিও বিবেচনা করতে পারে।

এইচপিভির দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণে জরায়ুমুখ ক্যানসার হতে পারে। ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বিশ্বে প্রায় ৬ লাখ ৪ হাজার নারী এ ক্যানসারে আক্রান্ত হন। মারা যান প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার নারী। ওই বছর নারীদের মধ্যে শনাক্ত হওয়া ক্যানসারগুলোর মধ্যে এটি ছিল পঞ্চম সর্বাধিক।

ডব্লিউএইচওর টিকা বিভাগের প্রধান কেট ও’ব্রায়েন জানান, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ ৯ কোটি ৫০ লাখের বেশি মেয়ে এইচপিভি টিকা পেয়েছে।

বিশেষজ্ঞ গোষ্ঠী টিকাদান কর্মসূচি আরও সম্প্রসারণের সুপারিশ করেছে। প্রথমে ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত টিকা না পাওয়া নারীদের এ সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পরে তা ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরামর্শ রয়েছে।

এ ছাড়া ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সী ছেলেদের নিয়মিত টিকাদান এবং ২০ বছর বয়স পর্যন্ত পুরুষদের টিকা দেওয়ার সুযোগ তৈরির সুপারিশ করা হয়েছে।

২০২৫ সাল পর্যন্ত এইচপিভির আটটি টিকা ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েছে। ডব্লিউএইচও জানায়, বিশ্বের ২৬টি দেশে নারীদের ক্যানসারজনিত মৃত্যুর প্রধান কারণ জরায়ুমুখ ক্যানসার। এসব দেশের অধিকাংশ সাব-সাহারান আফ্রিকা, দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকা, মেলানেশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু অংশে অবস্থিত।