মালদ্বীপে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারে জিতে ২০২৬ সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। এই সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই ভাই রোনান ও ডেকলান সুলিভান এবার তাকিয়ে আছেন আরও বড় স্বপ্নের দিকে বাংলাদেশের হয়ে বিশ্বকাপ খেলা।
এপ্রিলের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের হয়ে অভিষেক হয় দুই ভাইয়ের। শিরোপা জয়ের পর দ্যা গার্ডিয়ানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মালদ্বীপের অভিজ্ঞতা, বাংলাদেশের ফুটবল ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য নিয়ে কথা বলেন তারা।
টুর্নামেন্টে রোনান ছিলেন অন্যতম নায়ক। পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করার পর ফাইনালে টাইব্রেকারে বাংলাদেশের হয়ে শেষ শটে পানেনকা কিকে গোল করে শিরোপা নিশ্চিত করেন। ডেকলানও দুই ম্যাচে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হয়েছে ৪৮ দলের বিশ্বকাপ। ইতিমধ্যেই আলোচনায় রয়েছে ৬৪ দলের বিশ্বকাপ । বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে খেলার স্বপ্নের কথা জানিয়ে ডেকলান মনে করেন, ভবিষ্যতে বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা বাড়লে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফুটবলারদের একত্র করে বাছাইপর্ব পেরোনোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। তার ভাষায়, ‘এটাই স্বপ্ন,এটাই চূড়ান্ত লক্ষ্য‘।
ডেকলান সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ সতীর্থ হিসেবে পেন স্টেটের উইঙ্গার নেহান হাসান ও স্ট্যানফোর্ডের স্ট্রাইকার ট্রেভর ইসলামের নাম উল্লেখ করেছেন। তার মতে, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আরও অনেক বাংলাদেশি প্রতিভা ছড়িয়ে আছে।
রোনানের স্বপ্নও একই। বাংলাদেশের হয়ে বিশ্বকাপে খেলাকে তিনি ‘অবিশ্বাস্য’ সুযোগ হিসেবে দেখছেন। দেশের মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থন তাকে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।
ফাইনালের শেষ পেনাল্টি নিয়ে ডেকলান বলেন, ভাইয়ের পানেনকা শটে তিনি মোটেও অবাক হননি। তার বিশ্বাস ছিল, জয়ের সুযোগ পেলে রোনান এমন শটই নেবেন। এখন বিদেশে থাকা আরও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়কে জাতীয় দলে যুক্ত করে সেই প্রতিভা কাজে লাগাতে চান সুলিভান ভাইরা।


