...|...|...

খেলা

নাক ডাকা নিয়ে স্ত্রী অতিষ্ঠ, অস্ত্রোপচার করালেন রুনি

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ২:০৮
Shares
নাক ডাকা নিয়ে স্ত্রী অতিষ্ঠ, অস্ত্রোপচার করালেন রুনি

ছবি: সংগৃহীত

খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ার শেষ করার পর বাড়তি ওজন নিয়ে বেশ কয়েকবার আলোচনায় এসেছিলেন ওয়েন রুনি। সেই রুনিই এবার ৪০ কেজি ওজন কমিয়ে চমকে দিয়েছেন সমর্থকদের। ওজন কমানোর পাশাপাশি নাকের অস্ত্রোপচারও করিয়েছেন সাবেক এই ইংলিশ ফরোয়ার্ড। বদলে যাওয়া শারীরিক গড়নে প্রকাশ্যে হাজির হয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন ইংল্যান্ডের সাবেক এই তারকা স্ট্রাইকার। 

সম্প্রতি ডিজনি প্লাসের নতুন সিরিজ ‘দ্য রিয়েল রুনিজ’ এর প্রিমিয়ারে স্ত্রী কোলিনকে সাথে নিয়ে লাল গালিচায় হাজির হন ৪০ বছর বয়সী রুনি। সেখানে আগের তুলনায় অনেকটাই মেদহীন ও ফিট চেহারায় দেখা যায় তাকে। 

রুনির চেহারার আকস্মিক পরিবর্তন দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুঞ্জন ছড়ায়, ওজন কমানোর ইনজেকশন ব্যবহার করেছেন তিনি। তবে সেই দাবি সরাসরি নাকচ করেছেন রুনি। ‘ডেইলি মেইলকে’ তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি অনেকে বলাবলি করেছে আমি নাকি ওজন কমানোর ইনজেকশন নিচ্ছি। এটা শুনে খারাপ লাগছে। কারণ ওজন কমাতে জিমে কঠোর পরিশ্রম করছি।’

দীর্ঘদিন ধরেই নাক ডাকার সমস্যায় ভুগছিলেন রুনি। এ নিয়ে স্ত্রী কোলিনও বিরক্ত ছিলেন। পরে কোলিনের পরামর্শে নাকের অস্ত্রোপচার করানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

অস্ত্রোপচার প্রসঙ্গে রুনি বলেন, ‘আমার নাকের এক পাশ দিয়ে নিঃশ্বাস বের হতো না। তাই সার্জারি করিয়েছি।’

ফুটবল থেকে অবসর নেওয়ার পর কোচিং পেশায় যুক্ত হন রুনি। তবে কোচ হিসেবে তার সময়টা খুব একটা স্থায়ী হয়নি। সর্বশেষ প্লাইমাউথের ডাগআউটে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থাকা দলটির কোচের পদ থেকে গত ডিসেম্বরে বরখাস্ত হন সাবেক এই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড তারকা।

বর্তমানে বিবিসির টেলিভিশন বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করছেন রুনি। ভবিষ্যতে আবার কোচিংয়ে ফিরবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘টাকার জন্য এই কাজ করি না। সারা দিন ঘরে বসে না থেকে ব্যস্ত থাকতেই কাজ করি। হতে পারে আর কখনো কোচিং করাব না। তাই সামনের দিকে তাকাতে হবে। আমার মনে হয় এখন ‘দ্য মাস্কড সিঙ্গার’ শো তে যাওয়া দরকার! যদিও সেখানে গেলে তারা আমাকে খোঁচা মেরে একদম শেষ করে দেবে।’

কোচিং ক্যারিয়ার নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা ও অনিশ্চয়তার কথাও জানিয়েছেন রুনি। খেলোয়াড় ও কোচ হিসেবে ক্যারিয়ারের পার্থক্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘খেলোয়াড় হিসেবে আপনি জানেন কখন ক্যারিয়ার শেষ হবে। সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া যায়। কিন্তু কোচ হিসেবে আপনি এক বছর, দুই বছর নাকি তিন মাস টিকবেন, বলা অসম্ভব। চাকরি হারানোর ধাক্কার জন্য কেউ কখনোই প্রস্তুত থাকে না।’

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে ২৫৩ গোল করা রুনি ইংল্যান্ডের ফুটবলের অন্যতম পরিচিত মুখ। খেলোয়াড়ি জীবন শেষে কোচিংয়ে নানা অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে বর্তমানে টেলিভিশন বিশ্লেষক হিসেবে নতুন ভূমিকায় সময় কাটাচ্ছেন তিনি।