...|...|...

বিশ্ব

পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদে জড়িত এমন কোনো প্রমাণ নেই: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১:০৭
Shares
পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদে জড়িত এমন কোনো প্রমাণ নেই: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

পেহেলগাম হামলাকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের সাথে সন্ত্রাসবাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যমের করা একটি প্রচেষ্টা সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সন্ত্রাসবাদ সংঘটিত হয়েছে এমন কোনো গোয়েন্দা তথ্য বা পর্যালোচনা তার কাছে নেই।

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করেন আনোয়ার ইব্রাহিম। সাক্ষাৎকারের শুরুতে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, গাজায় ইসরায়েলের সামরিক কার্যক্রম রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের সমতুল্য কি না। জবাবে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলেন, হ্যাঁ, এটি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ।

এরপর সাক্ষাৎকারে উপস্থাপক গত বছরের এপ্রিল মাসে সংঘটিত পেহেলগাম হামলার প্রসঙ্গ টেনে পাকিস্তান ও ওই ঘটনার মধ্যে একটি যোগসূত্র স্থাপনের চেষ্টা করেন। তবে আনোয়ার ইব্রাহিম স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয়ভাবে সন্ত্রাসবাদের সাথে জড়িত থাকার বিষয়ে মালয়েশিয়ার নিরাপত্তা সংস্থাগুলো তাকে কিছু জানায়নি। পাশাপাশি পেহেলগাম হামলা সংক্রান্ত ঘটনায় পাকিস্তানবিরোধী কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণও তার কাছে উপস্থাপন করা হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন। এর মাধ্যমে মূলত পাকিস্তানের সাথে এই হামলার সংযোগ তৈরির প্রচেষ্টাকে তিনি সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেন।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল ভারতের অবৈধভাবে দখলকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামে পর্যটকদের ওপর চালানো ওই ভয়াবহ হামলায় ২৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছিল। কোনো ধরনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই নয়াদিল্লি এই প্রাণঘাতী হামলার জন্য ইসলামাবাদকে সরাসরি দায়ী করেছিল—যে অভিযোগ পাকিস্তান জোরালোভাবে অস্বীকার করে নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছিল।

এর জের ধরে গত বছরের ৬ ও ৭ মে ভারতের পক্ষ থেকে পাকিস্তানের ওপর একটি উসকানিমূলক হামলা চালানো হয়, যার জবাবে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী তাৎক্ষণিক ও কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলে। পরবর্তীতে ৮৭ ঘণ্টার সেই সংঘাতে ফ্রান্সের তৈরি রাফেল যুদ্ধবিমানসহ ভারতের আটটি যুদ্ধবিমান এবং বেশ কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করেছিল পাকিস্তানি বাহিনী।