পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনের ওপর যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞার জবাবে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ইসরায়েল। জেরুজালেমে অবস্থিত ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে তেল আবিব। একই সাথে বর্তমান ব্রিটিশ সরকারকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘শত্রুভাবাপন্ন’ এবং বৈরী আচরণকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদোন সার।
যুক্তরাজ্যের পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে গিদোন সার অভিযোগ করেন, আগামী মাসে ইসরায়েলে অনুষ্ঠেয় সাধারণ নির্বাচনে রাজনৈতিক প্রভাব ফেলতে এবং ‘নগ্ন হস্তক্ষেপ’ করতেই লন্ডন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই অবস্থান বিশ্বজুড়ে ইহুদিবিদ্বেষ বাড়াতে ভূমিকা রাখছে বলেও দাবি করেন তিনি।
ইসরায়েল কর্তৃক প্রস্তাবিত 'ই-১' (E1) বসতি প্রকল্প নিয়ে যুক্তরাজ্যের অভিযোগ খণ্ডন করে তিনি জানান, প্রকল্প বিষয়ে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইসরায়েল সরকার চারটি কঠোর পদক্ষেপ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে প্রধান দুটি হলো—জেরুজালেমে অবস্থিত ব্রিটিশ কনস্যুলেট আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করা এবং 'ইন্টারন্যাশনাল গাজা সাপোর্ট সেন্টার' থেকে যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিদের অপসারণ করা।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বসতি স্থাপনবিরোধী কঠোর অবস্থান এবং এর বিপরীতে ইসরায়েলের এমন নজিরবিহীন সিদ্ধান্তের ফলে লন্ডন ও তেল আবিবের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে চরম ধস নেমেছে।


