...|...|...

সারাদেশ

হিমছড়ি সৈকতে ডুবে যাওয়া ৫ পর্যটকের পরিচয় শনাক্ত

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, রাত ১:২৬ | আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৬, রাত ১:৪৮
Shares
হিমছড়ি সৈকতে ডুবে যাওয়া ৫ পর্যটকের পরিচয় শনাক্ত

ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের হিমছড়ি পেঁচারদ্বীপ সৈকতে সমুদ্রে গোসল করতে নেমে তিন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুজন নিখোঁজ রয়েছেন। নিহত ও নিখোঁজ পাঁচ পর্যটকের পরিচয় শনাক্ত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। দুর্ঘটনা থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে আরও তিনজনকে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে মেরিন ড্রাইভ সড়কের রামু উপজেলার পেঁচারদ্বীপে জাদুঘরসংলগ্ন সৈকতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত তিনজন হলেন ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকার মুকাররম হোসেনের ছেলে রোহান (২৩), শহীদুল ইসলাম (২৩) এবং চট্টগ্রামের বায়েজিদ শার্সা এলাকার মো. আকাশ (২১)।

নিখোঁজ দুজন হলেন চট্টগ্রামের বায়েজিদ শার্সা এলাকার মো. কবিরের ছেলে মো. হারুন (২০) এবং ঢাকার আজিমপুর এলাকার নাফিসুল হক নিবিড় (২২)।

রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমান প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানান, পর্যটকদের দুটি দল পেঁচারদ্বীপ জাদুঘরসংলগ্ন রেজুখাল পেরিয়ে খাল ও সমুদ্রের মাঝখানে জেগে ওঠা একটি চরে বেড়াতে গিয়েছিল। বিকেলের দিকে জোয়ার শুরু হলে সমুদ্রের পানি বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে পানিতে চরটি তলিয়ে গেলেও পর্যটকেরা বিষয়টি বুঝতে পারেননি। পরে তারা পানিতে ডুবে যান।

স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় চট্টগ্রাম থেকে আসা পর্যটকদের তিনজনকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া দুজন নিখোঁজ থাকেন।

জীবিত উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকার মৃত আবুল কালামের ছেলে রাকিব হাসান, একই এলাকার মৃত ছগিরের ছেলে মো. সানী এবং বায়েজিদে বসবাসকারী নোয়াখালীর মো. হেলালের ছেলে মো. আকাশ। তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সানী ও আকাশ জানান, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ট্রেনে করে তারা কক্সবাজারে পৌঁছান। আগে থেকে বুকিং করা পেঁচারদ্বীপের একটি রিসোর্টে ওঠার পর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সমুদ্রে গোসল করতে নামেন। পরে রেজুখাল পেরিয়ে চরে যান। একইভাবে আরেকটি পর্যটক দলের সদস্যরাও খাল পেরিয়ে সেখানে গিয়েছিলেন। এরপরই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

রাত সাড়ে ৯টার দিকে ইউএনও মো. জিল্লুর রহমান জানান, উদ্ধার করা লাশগুলো হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়িতে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে সেগুলো কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।