...|...|...

চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের খাল ও জলপথ দিয়ে পণ্য পরিবহন করা হবে: অর্থমন্ত্রী

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৮:০০ | আপডেট: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১২:৩৭
Shares
চট্টগ্রামের খাল ও জলপথ দিয়ে পণ্য পরিবহন করা হবে: অর্থমন্ত্রী

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: টাইমস টুডে

চট্টগ্রামের খাল ও জলপথকে শুধু পানি নিষ্কাশনের কাজে নয়, পণ্য পরিবহনের পথ হিসেবেও ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে সরকার বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, নগরের জলাবদ্ধতা নিরসন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের পাশাপাশি জলপথের সম্ভাবনাও কাজে লাগাতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের রেডিসন ব্লুতে চট্টগ্রাম ওয়াসা, ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ও ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের মধ্যে তিন বছর মেয়াদি সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় নগরীর সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর পানি সরবরাহে নতুন পিপিপি মডেল নিয়ে আলোচনা হয়।

আমির খসরু বলেন, চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকট রয়েছে। মানুষের দোরগোড়ায় নিরাপদ পানি পৌঁছে দেওয়া সরকারের দায়িত্ব।

তিনি বলেন, এ উদ্যোগকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারি অর্থের পাশাপাশি বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হচ্ছে। একইসাথে প্রকল্পের দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

চট্টগ্রামের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, বর্ষা এলেই নগরীতে পানি নিষ্কাশন ও জলাবদ্ধতার সমস্যা দেখা দেয়। তাই বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের পাশাপাশি ড্রেনেজ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাকেও গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে।

নেদারল্যান্ডসের জলপথ ব্যবস্থাপনার উদাহরণ তুলে ধরে আমির খসরু বলেন, একসময় দেশটির অনেক খাল ময়লা-আবর্জনায় বন্ধ হয়ে গেলেও সেগুলো পুনরুদ্ধার করে এখন নৌযান ও পণ্য পরিবহনে ব্যবহার করা হচ্ছে। চট্টগ্রামেও এ ধরনের সম্ভাবনা রয়েছে। নগরীর জলপথগুলোকে কীভাবে পণ্য পরিবহনে ব্যবহার করা যায়, সরকার তা নিয়ে কাজ করতে চায়।

সমঝোতা স্মারকের আওতায় নগরীর ৪০ ও ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পানি সরবরাহে নতুন পিপিপি মডেল পরীক্ষা করা হবে।

সমঝোতা স্মারকে চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম, ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. এটিএম তারিকুল ইসলাম এবং ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়ামিন ফারুক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সই করেন। নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের পানি ও জলবায়ুবিষয়ক প্রথম সচিব ইজে ক্রুজেন এতে সাক্ষী ছিলেন।