সামরিক বিমান উড়িয়ে ও ১০০ ফুট দীর্ঘ লালগালিচা বিছিয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে রাজকীয় সংবর্ধনায় স্বাগত জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর মধ্য দিয়ে ওয়াশিংটনে শুরু হয়েছে বিশ্বের দুই প্রভাবশালী নেতার তিন দিনের বহুল আলোচিত বৈঠক।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে শি’কে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে নিজেই উপস্থিত ছিলেন ট্রাম্প। ১৯৬৫ সালের পর এবারই প্রথম কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে ব্যক্তিগতভাবে কোনো বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানকে স্বাগত জানালেন।
২০১৫ সালের পর এটিই শি জিনপিংয়ের প্রথম ওয়াশিংটন সফর। তিন দিনের এই সফরকালে রুদ্ধদ্বার বৈঠক ও রাষ্ট্রীয় নৈশভোজসহ একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। বৈঠকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ইরান যুদ্ধ, তাইওয়ান পরিস্থিতি এবং বাণিজ্য যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর মতো সংবেদনশীল বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বুধবার যৌথভাবে এক ঘোষণায় মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন তাদের চলতি বাণিজ্য যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়াতে একমত হয়েছে। এর আগে ঘোষিত চুক্তির মেয়াদ আগামী ১০ নভেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল।
এদিকে সফরের শুরুতেই এক বিবৃতিতে শি জিনপিং বলেন, ‘চীনা জাতির মহান পুনর্জাগরণ এবং আমেরিকাকে মহান করে তোলার লক্ষ্য—দুটিই পাশাপাশি অবস্থান করতে পারে, যা বিশ্বের জন্যই সুফল বয়ে আনবে।’
গুরুত্বপূর্ণ এই সফরে শি’র সাথে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল রয়েছে। তিন দিনের সফর শেষে আগামীকাল শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ওয়াশিংটন ত্যাগ করবেন চীনের প্রেসিডেন্ট।


