যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তিন দিনের সফরে ওয়াশিংটন ডিসিতে এসে পৌঁছেছেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়ে তাকে অভ্যর্থনা জানিয়েছেন। একই সাথে দুই দেশ শাস্তিমূলক শুল্ক থেকে সাময়িক স্বস্তি দেওয়া ১১ মাসের বাণিজ্য চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) মার্কিন রাজধানীর ঠিক বাইরে জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে এসে পৌঁছান শি জিনপিং। বাণিজ্য, তাইওয়ান এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংক্রান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার জন্যই তার এই যুক্তরাষ্ট্র সফর। মার্কিন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গত ১১ বছরের মধ্যে এই প্রথম কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট কোনো বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানকে বিমানঘাঁটিতে গিয়ে নিজে অভ্যর্থনা জানালেন—যা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গভীরতাকেই নির্দেশ করে।
আলজাজিরার বরাত দিয়ে জানা গেছে, বিমানবন্দরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দুই নেতা ও তাদের স্ত্রীরা কুশল বিনিময় করেন, কয়েক মিনিট কথা বলেন এবং সামরিক ব্যান্ডের বাদ্যযন্ত্রের ধুন, কামানের গর্জন ও ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া একটি বি-১ সামরিক বোমারু বিমানের উপস্থিতিতে ছবি তোলার জন্য ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার প্রকাশিত এক লিখিত বিবৃতিতে শি জিনপিং উল্লেখ করেন যে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে বরং অংশীদার হওয়া উচিত। সিনহুয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, শি জিনপিং বলেছেন, চীনা জাতির মহান পুনরুত্থান এবং যুক্তরাষ্ট্রকে আবারও মহান করে তোলা—এই দুটি লক্ষ্য একসাথে হাত ধরে চলতে পারে, একে অপরকে পরিপূরক করতে পারে এবং বিশ্ববাসীর কল্যাণ বয়ে আনতে পারে।


