...|...|...

জাতীয়

বাংলাদেশ-ভারত সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ গঠনের প্রস্তাব দীনেশ ত্রিবেদীর

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৪:৫২ | আপডেট: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১২:১৩
Shares
বাংলাদেশ-ভারত সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ গঠনের প্রস্তাব দীনেশ ত্রিবেদীর

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও ভারতের সংসদ সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়াতে দুই দেশের সংসদ সদস্যদের সমন্বয়ে একটি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

বুধবার জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে পৃথক সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ প্রস্তাব দেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের সংসদ সদস্যরা দলীয় অবস্থানের ঊর্ধ্বে উঠে একটি বন্ধুত্ব গ্রুপের মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ ও মতবিনিময় করতে পারেন। এর ফলে দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার হবে এবং ‘পিপল-টু-পিপল’ যোগাযোগের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত গ্রুপে বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সংসদ সদস্যরা দলীয় বিভাজন অতিক্রম করে অংশ নিতে পারেন। রাজনীতি নিজ নিজ পথে চলবে, তবে সংসদ হচ্ছে জনগণের প্রতিনিধিত্বের প্রতিষ্ঠান।

ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে সকালে তার কথা হয়েছে জানিয়ে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ওম বিড়লা বাংলাদেশের স্পিকারের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানানো হবে।

তিনি জানান, দুই দেশের সংসদের মধ্যে এ ধরনের যোগাযোগ ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে নেওয়ার বিষয়ে ভারতের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জাতীয় সংসদ ভবনের স্থাপত্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রশংসা করে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ‘টেম্পল অব ডেমোক্রেসি’ হিসেবে পরিচিত এই ভবনে এসে তিনি আনন্দিত ও সম্মানিত বোধ করছেন। সংসদে সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সংসদ ডিজিটাইজেশনের বিষয়ে তিনি বলেন, ভারতের সংসদের লাইব্রেরিসহ সংসদীয় কার্যক্রমের বিপুল তথ্য ডিজিটালাইজড করা হয়েছে। এর ফলে সংসদ সদস্যরা স্মার্টফোনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নথি, অধিবেশনের কার্যসূচি ও পুরোনো বক্তব্য সহজে দেখতে পারেন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে প্রশ্ন করা হলে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, এ সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ারের বিষয়।

দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের উদ্দেশ্য জনকল্যাণমুখী হলে ইতিবাচক ফলাফল আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এর আগে জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে দুই দেশের সংসদীয় সম্পর্ক, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন ভারতীয় হাইকমিশনার।