...|...|...

বিশ্ব

প্রায় ৮ হাজার প্রবাসীকে ফেরত পাঠাল সৌদি আরব

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, রাত ৮:৩৬
Shares
প্রায় ৮ হাজার প্রবাসীকে ফেরত পাঠাল সৌদি আরব

ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবে আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের দায়ে এক সপ্তাহে ৭ হাজার ৯৩৪ জনকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। একই সময়ে এসব আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে ১৩ হাজার ৯০৫ জনকে।

সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ বলছে, শনিবার (২৫ অক্টোবর) সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ১৫ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত দেশজুড়ে পরিচালিত অভিযানে এসব ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে ৬ হাজার ৫৫৪ জন আবাসন আইন, ৩ হাজার ৮৬৫ জন সীমান্ত নিরাপত্তা আইন এবং ৩ হাজার ৪৮৬ জন শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্ত।

মন্ত্রণালয় জানায়, অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টার সময় ১ হাজার ৮৮১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া অননুমোদিত সীমান্তপথে দেশ ছাড়ার চেষ্টার সময় আটক করা হয়েছে আরও ২২ জনকে। আইন লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন, আশ্রয়, কর্মসংস্থান বা লুকিয়ে রাখতে সহায়তার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে ২১ জনকে।

বর্তমানে আবাসন ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৩৭ হাজার ৬১৮ জন প্রবাসী আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। তাদের মধ্যে ৩৫ হাজার ৪৪৯ জন পুরুষ এবং ২ হাজার ১৬৯ জন নারী।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ভ্রমণ নথিপত্র সংগ্রহের জন্য ২০ হাজার ২৫২ জনকে নিজ নিজ দেশের কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ভ্রমণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে ৬ হাজার ৫৫৫ জনকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে মোট ৭ হাজার ৯৩৪ জনকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়। তবে ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের জাতীয়তা সম্পর্কে কিছু জানায়নি মন্ত্রণালয়।

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, অবৈধভাবে দেশটিতে প্রবেশে সহায়তা করা, প্রবেশকারীদের পরিবহন বা আশ্রয় দেওয়া কিংবা অন্য কোনোভাবে সহযোগিতা করলে কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হবে। দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। পাশাপাশি অপরাধে ব্যবহৃত যানবাহন ও আশ্রয় দেওয়ার কাজে ব্যবহৃত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা এবং অপরাধীদের পরিচয় প্রকাশ করা হতে পারে।

আইন লঙ্ঘনের ঘটনা জানাতে মক্কা, মদিনা, রিয়াদ ও পূর্বাঞ্চল প্রদেশে ৯১১ নম্বরে এবং সৌদি আরবের অন্যান্য এলাকায় ৯৯৯ অথবা ৯৯৬ নম্বরে যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।