ব্রাজিলিয়ান লিগে নেইমার ও গাবিগোলের চমৎকার পারফরম্যান্সে ফ্লুমিনেন্সের বিপক্ষে শুরুতে পিছিয়ে পড়েও দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় তুলে নিয়েছে সান্তোস। গাবিগোলের গোলে ম্যাচে সমতা ফেরার পর গ্যাব্রিয়েল বোন্তেম্পোর ক্রস থেকে জয়সূচক গোল করেন ফিলিপে কুতিনহো। আক্রমণভাগের কার্যকর পারফরম্যান্স এবং বিরতির পর কোচ কুকার কৌশলগত পরিবর্তনে ম্যাচে ফিরে আসে দলটি।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় মাঠে নেমেছিল নেইমাররা। ম্যাচের শুরুতেই পিছিয়ে পড়েছিল সান্তোস। লুয়ান পেরেসের ভুল পাসের সুযোগ কাজে লাগিয়ে কাস্তিয়ো গোল করে ফ্লুমিনেন্সকে এগিয়ে দেন। পরে গাবিগোলের গোলে সমতা ফেরায় সান্তোস। দ্বিতীয়ার্ধে বোন্তেম্পোর তৈরি করা সুযোগ কাজে লাগিয়ে কুতিনহো করেন জয়সূচক গোল।
শুরুতে লুয়ান পেরেসের ভুলে প্রতিপক্ষ গোলের সুযোগ পেলেও পরে গোলরক্ষক দিওগেনেস ঘুরে দাঁড়ান। সাভারিনোর শক্তিশালী শট ঠেকানোর পাশাপাশি দ্বিতীয়ার্ধে হাল্কের সুযোগও নষ্ট করে দেন তিনি।
রক্ষণে রদিনি নির্ভরযোগ্য ভূমিকা রাখেন। গাবিগোলের গোলেও তার অবদান ছিল। প্রথমার্ধে কিছুটা অগোছালো থাকলেও পরে নিজেকে সামলে নেন লুকাস ভেরিসিমো। তবে ম্যাচের শেষ দিকে বাঁ পায়ের ঊরুতে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। তার বদলি হিসেবে অভিষেক হওয়া জোয়াও আলেনকার দায়িত্ব ভালোভাবেই সামলান।
দ্বিতীয়ার্ধে সান্তোসের আক্রমণে গতি বাড়ান বোন্তেম্পো। তার ক্রস থেকেই কুতিনহোর জয়সূচক গোলটি আসে। বদলি হিসেবে মাঠে নেমে রোলহাইসার ভালো খেললেও ফ্লুমিনেন্সের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ফাবিওর দৃঢ়তায় গোল করতে পারেননি। মাঝমাঠে গুস্তাভো এনরিকে দলের ভারসাম্য ধরে রাখতে ভূমিকা রাখেন।
বারিয়াল রক্ষণ সামলানোর চেয়ে আক্রমণে বেশি সক্রিয় ছিলেন। বাঁ দিক দিয়ে গতি বাড়ান রনি। এভারটন গাবিগোলকে ভালো একটি পাস দিলেও অতিরিক্ত ড্রিবলিংয়ের কারণে সুযোগটি কাজে লাগানো যায়নি। অলিভা মাঠে নেমে মাঝমাঠে স্থিরতা আনেন, যদিও গাবিগোলের বাড়ানো বল থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন। ম্যাচের শেষ দিকে মাঠে নামেন রাফায়েল গোনজাগা।
প্রথমার্ধের ভুলগুলো শুধরে বিরতির পর দলকে নতুনভাবে সাজান কোচ কুকা। তার কৌশলগত পরিবর্তনে সান্তোস আক্রমণে আরও কার্যকর হয়ে ওঠে। সুযোগগুলো ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে জয়ের ব্যবধান আরও বড় হতে পারত।


