ফুটবলে তিনজনের আক্রমণভাগ প্রতিপক্ষের রক্ষণে ভয় ধরাতে পারে। একসময় বার্সেলোনার মেসি-সুয়ারেজ-নেইমারের কিংবা রিয়াল মাদ্রিদের রোনালদো-বেনজেমা-বেলের ছিল গোলের বড় উৎস। সেই যুগ পেছনে ফেলে নতুন মৌসুমে গোলের হিসাবে ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে এগিয়ে রয়েছে বার্সেলোনা।
চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে প্রতিটি দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনজনের হিসাব করা হয়েছে। এই তালিকায় শুধু ফরোয়ার্ড নয়, মিডফিল্ডারও আছেন। তিনজন একই সাথে মাঠে খেলেন কি না, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। আপাতত ২৮ গোল নিয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা, এরপর বায়ার্ন মিউনিখ, ম্যানচেস্টার সিটি, রিয়াল মাদ্রিদ ও ফ্রোজিনোনে।
১. রাফিনিয়া, ইয়ামাল ও লোপেজ (বার্সেলোনা): ২৮ গোল
রবার্ট লেভানডফস্কি দল ছাড়লেও গোলের অভাব নেই বার্সেলোনায়। রাফিনিয়া নতুন ভূমিকায় দারুণ মানিয়ে নিয়েছেন। তার গোল ১৪টি, লামিনে ইয়ামালের ৯ এবং ফেরমিন লোপেজের ৫। সব মিলিয়ে ২৮ গোল নিয়ে তালিকার শীর্ষে এই ত্রয়ী।
২. ওলিসে, দিয়াজ ও কেইন (বায়ার্ন মিউনিখ): ২৩ গোল
বায়ার্নের আক্রমণভাগও রয়েছে দুর্দান্ত ছন্দে। লাইপজিগের বিপক্ষে ৬-১ গোলের জয়ে এই তিনজন মিলে করেন পাঁচ গোল, যার মধ্যে লুইস দিয়াজের ছিল হ্যাটট্রিক। ওলিসে ও হ্যারি কেইন দুজনই করেছেন ৯ গোল। তিনজনের সম্মিলিত গোল ২৩টি।
৩. হলান্ড, শেরকি ও সেমেনিও (ম্যানচেস্টার সিটি): ১৯ গোল
সিটির গোলের প্রধান ভরসা আর্লিং হলান্ড। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তার গোল ১২টি। রায়ান শেরকি ও সেমেনিওর অবদান যোগ করে এই তিনজনের গোলসংখ্যা ১৯। ফলে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি।
৪. এমবাপ্পে, বেলিংহাম ও কার্লোস এসপি (রিয়াল মাদ্রিদ): ১৭ গোল
রিয়াল মাদ্রিদের আক্রমণে সবচেয়ে বড় ভূমিকা কিলিয়ান এমবাপ্পের। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তার গোল ১১টি। জুড বেলিংহাম ও কার্লোস এসপির গোল যোগ করে তিনজনের মোট গোল ১৭। তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে স্প্যানিশ ক্লাবটি।
৫. রাইমন্দো, কেভেরনাদজে ও কালো (ফ্রোজিনোনে): ১৫ গোল
তালিকার চমক ইতালির ফ্রোজিনোনে। ক্লাবটির হয়ে আন্তোনিও রাইমন্দো করেছেন ৮ গোল, জর্জি কেভেরনাদজে ৫ এবং জাকোমো কালো ২। সব মিলিয়ে ১৫ গোল নিয়ে ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ আক্রমণত্রয়ীর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে দলটি।
মৌসুমের এখনো অনেকটা পথ বাকি। তাই এই তালিকায় পরিবর্তন আসতে পারে। আপাতত ২৮ গোল নিয়ে সবার ওপরে বার্সেলোনার রাফিনিয়া, ইয়ামাল ও লোপেজ। শেষ পর্যন্ত তারা শীর্ষস্থান ধরে রাখতে পারেন কি না, সেটিই দেখার বিষয়।



