নিষেধাজ্ঞা ও আন্তর্জাতিক চাপ দুর্বল দেশগুলোর ওপর কাজ করলেও উত্তর কোরিয়ার ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে দাবি করেছে পিয়ংইয়ং। দেশটির বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের আহ্বান জানানোর পর শুক্রবার এ প্রতিক্রিয়া জানায় উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন এক যৌথ বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের আহ্বান জানিয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিবৃতিতে দেশগুলো উত্তর কোরিয়াকে গণবিধ্বংসী অস্ত্র ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি পরিত্যাগ করার আহ্বান জানায়। একই সঙ্গে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের উত্তর কোরিয়াসংক্রান্ত সব প্রস্তাব বাস্তবায়নে জোরালো সমর্থন অব্যাহত রাখার কথা জানায় তারা।
এর জবাবে উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র ওই অবস্থানের নিন্দা জানিয়ে একে দেশটির সার্বভৌমত্বের ‘নির্লজ্জ লঙ্ঘন’ বলে অভিহিত করেন।
মন্ত্রণালয়টি আরও অভিযোগ করে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার ‘অনুগত শক্তিগুলো’ অন্যায্য ও অযৌক্তিক অজুহাতে পিয়ংইয়ংয়ের বিরুদ্ধে বৈরী নীতিকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করছে।
এক বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন নিষেধাজ্ঞা ও চাপ প্রয়োগের উদ্যোগে সক্রিয় দেশগুলোকে সতর্ক করে। এ তালিকায় দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের নামও উল্লেখ করা হয়। দেশটির দাবি, এ ধরনের বৈরী কর্মকাণ্ডের জন্য সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহি করতে হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও স্বার্থ রক্ষায় শক্তিশালী সামরিক সক্ষমতার ওপর নির্ভর করবে উত্তর কোরিয়া। পাশাপাশি ন্যায়বিচার ও নিরপেক্ষতার ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে পিয়ংইয়ং।


