...|...|...

খেলা

ডিমেরিট পয়েন্ট পাওয়ার পর লর্ডসের পিচই তুলে ফেলল এমসিসি

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ১২:৫১
Shares
ডিমেরিট পয়েন্ট পাওয়ার পর লর্ডসের পিচই তুলে ফেলল এমসিসি

লর্ডস ক্রিকেট স্টেডিয়াম। ছবি: সংগৃহীত

আইসিসির কাছ থেকে ‘অসন্তোষজনক’ রেটিং ও ডিমেরিট পয়েন্ট পাওয়ার পর লর্ডসের একটি পিচ নতুন করে তৈরি করেছে মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব (এমসিসি)। ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার টেস্টে অতিরিক্ত সিম মুভমেন্ট ও অসম বাউন্সের কারণে পিচটি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফট। পুনর্নির্মাণের ফলে আগামী দুই থেকে তিন বছর পিচটি খেলার উপযোগী থাকবে না।

জুনে লর্ডসের পিচ নম্বর ৯ এ মুখোমুখি হয়েছিল ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড। ম্যাচে পিচের আচরণ পর্যালোচনা করে সেটিকে ‘অসন্তোষজনক’ বলে মূল্যায়ন করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। একই সাথে পিচটিকে দেওয়া হয় একটি ডিমেরিট পয়েন্ট। লর্ডসের এই পিচে এর আগে কখনো ডিমেরিট পয়েন্ট দেওয়া হয়নি।

ওই টেস্টে মাত্র ১৬৬ ওভারের মধ্যে দুই দলের ৪০টি উইকেটই পড়ে যায়। অতিরিক্ত সিম মুভমেন্ট এবং অসম বাউন্সের কারণে ব্যাটারদের জন্য রান করা কঠিন হয়ে পড়ে। ম্যাচ শেষে পিচের এমন আচরণ পর্যালোচনা করে সেটি নতুন করে তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় এমসিসি।

চলতি মাসের শুরুতে পিচটি পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হয়। চলতি সপ্তাহে ক্লাবটি সদস্যদের জানিয়েছে, লর্ডসের পিচের অবস্থা নিয়ে সবচেয়ে বিস্তৃত পর্যালোচনার পর সেটি তুলে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ভবিষ্যতে পিচের স্থায়িত্ব বাড়াতে হাইব্রিড পিচ ব্যবহারের বিষয়টিও বিবেচনা করছে এমসিসি। ক্লাবের হাতে থাকা তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী, প্রচলিত পিচের তুলনায় হাইব্রিড পিচ বেশি টেকসই। তবে বর্তমানে টেস্ট ক্রিকেটে এ ধরনের পিচ ব্যবহারের অনুমতি নেই।

এদিকে লর্ডসের জন্য তিনটি ‘ড্রপ-ইন’ পিচ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে এমসিসি। এর মধ্যে প্রথমটির নির্মাণকাজ চলছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৮ সালে পিচটি লর্ডসের মূল মাঠে স্থাপন করা হবে।

অস্ট্রেলিয়ার বেশ কয়েকটি বহুমুখী স্টেডিয়ামে প্রয়োজন অনুযায়ী ড্রপ-ইন পিচ বসানো ও সরিয়ে নেওয়া হয়। এতে ক্রিকেটের পাশাপাশি অন্যান্য আয়োজনের জন্যও মাঠ ব্যবহার করা সম্ভব হয়। লর্ডসের জন্য অবশ্য দীর্ঘমেয়াদে স্থাপন করা যায়, এমন ‘পার্মানেন্ট ড্রপ-ইন’ পিচ তৈরির পরিকল্পনা করছে এমসিসি।

আগামী বছর লর্ডসে দুটি টেস্ট ম্যাচ আয়োজনের কথা রয়েছে। মে মাসে বাংলাদেশের বিপক্ষে এবং জুনের শেষ দিকে অ্যাশেজ সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড।

অন্যদিকে, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল আয়োজনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে দ্য কিয়া ওভাল।