এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপের আগে নিজেদের সামর্থ্য যাচাইয়ের পাশাপাশি আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে খেলতে নামবে বাংলাদেশ। আবুধাবিতে আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই প্রতিযোগিতায় ভালো ফল পেলে আসন্ন বড় টুর্নামেন্টগুলোতে বাড়তি আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামা সম্ভব হবে বলে মনে করেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় ২০১৯ সালে আয়ারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন এই ক্রিকেটার। ওই সাফল্য এবারও দলকে অনুপ্রাণিত করতে পারে বলে মনে করেন তিনি। মোসাদ্দেক বলেন, ‘২০১৯ সালের ত্রিদেশীয় সিরিজ আমাদের জন্য একটা অনুপ্রেরণা। সামনে এশিয়া কাপ, এরপর বিশ্বকাপ। এই ত্রিদেশীয় সিরিজগুলো জিততে পারলে আমার কাছে মনে হয়, আমরা সামনে অনেক আত্মবিশ্বাস পাব।’
প্রতিপক্ষের শক্তি বিবেচনায় নিয়ে সতর্ক থাকার কথাও জানিয়েছেন মোসাদ্দেক। তার মতে, বর্তমান সময়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে দলগুলোর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বেড়েছে। কোনো দলকেই সহজ প্রতিপক্ষ ভাবার সুযোগ নেই। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আধুনিক ক্রিকেটে কোনো দলকেই ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। আধুনিক ক্রিকেটে কোনো দেশ বা দলকেই ছোট বলা যাবে না। সাম্প্রতিক সময়ে সবাই ওয়ানডে ফরম্যাটে খুব ভালো করছে।’
ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ও উন্নতির দিকে মনোযোগ দিতে চায় বাংলাদেশ। এই প্রতিযোগিতায় দল হিসেবে ভালো খেলতে পারলে এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতিও আরও ভালো হবে বলে মনে করেন মোসাদ্দেক।
তিনি বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয়, এটা আমাদের জন্য একটা চ্যালেঞ্জ, এখানে আমরা কত ভালো করতে পারি। এশিয়া কাপ কিংবা এশিয়া কাপের পরে বিশ্বকাপে যে চ্যালেঞ্জ আসবে, এই সময়গুলোতে দল হিসেবে ভালো করতে পারলে সেগুলো আমাদের জন্য সহজ হবে।’
ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের চেয়ে দলীয় প্রচেষ্টাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন মোসাদ্দেক। তার মতে, মাঠে সম্মিলিতভাবে ভালো খেলতে পারলে বাংলাদেশের সামর্থ্য ও দলীয় শক্তির প্রমাণ দেওয়া সম্ভব হবে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা যদি মাঠের ক্রিকেটটা ভালো খেলতে পারি, সেটা অনেক কিছুই প্রমাণ করে দেবে, আমরা কতটা ভালো দল। সেই জায়গা থেকে আমাদের সবাইকে মিলে প্রমাণ করতে হবে, দল হিসেবে আমরা কত ভালো খেলতে পারছি। ক্রিকেট কোনো ব্যক্তিগত খেলা নয়, এটা পুরোপুরি দলীয় খেলা। তাই দল হিসেবে আমরা কতটা ভালো করতে পারছি, সেটাই আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।’


