...|...|...

রাজনীতি

ছাত্র ইউনিয়ন থেকে পদত্যাগ করলেন মেঘমল্লার বসু

টাইমস টুডে প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৬, দুপুর ১:৪৪ | আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:৩২
Shares
ছাত্র ইউনিয়ন থেকে পদত্যাগ করলেন মেঘমল্লার বসু

মেঘমল্লার বসু। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ নিজ নিজ পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। সাংগঠনিক দায়িত্ব ছাড়ার পর তারা দুজনেই ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন’ (এনপিএ) নামক নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে মেঘমল্লার বসু তার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, একই সাথে দুটি আলাদা রাজনৈতিক বা নীতিনির্ধারণী ফোরামে অবস্থান করা সমীচীন নয়। এই নৈতিক অবস্থান থেকেই তারা ছাত্র ইউনিয়নের মতো ঐতিহ্যবাহী ছাত্রসংগঠনের নীতিনির্ধারণী দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন এবং এখন থেকে এনপিএর ব্যানারে তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে চান।

উল্লেখ্য, ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন’ বা সংক্ষেপে এনপিএ নামের এই নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মটি চলতি বছরের শুরুতেই আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। বিভিন্ন সমমনা তরুণ রাজনৈতিক কর্মী ও সংগঠকদের নিয়ে গঠিত এই প্ল্যাটফর্মটি দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং জনস্বার্থের নানা ইস্যু নিয়ে কাজ করে আসছে।

মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের মতো পরিচিত ও সক্রিয় তরুণ ছাত্রনেতাদের ছাত্র ইউনিয়ন ছেড়ে এই নতুন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়াকে দেশের বাম ধারার রাজনীতি এবং ছাত্ররাজনীতির গতিপ্রকৃতিতে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট অনেকে। বামপন্থী ছাত্ররাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকা এই নেতারা দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, অধিকার ও জনস্বার্থের বিভিন্ন আন্দোলনে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন।

তবে ছাত্র ইউনিয়নের মতো মূলধারার একটি প্রগতিশীল ছাত্রসংগঠনের শীর্ষ পর্যায় থেকে হঠাৎ করে এই পদত্যাগ এবং বিকল্প রাজনৈতিক মঞ্চে যুক্ত হওয়ার বিষয়টি সংগঠনের অভ্যন্তরীণ ও বাইরের রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এ বিষয়ে ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সংসদের পক্ষ থেকে পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া বা নতুন দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল রয়েছে। এই পদত্যাগের মধ্য দিয়ে মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।