...|...|...

জাতীয়

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে দেওয়া পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন সায়মা ওয়াজেদ

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৩:২৯
Shares
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে দেওয়া পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন সায়মা ওয়াজেদ

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। ছবি: সংগৃহীত

প্রতারণা জালিয়াতির অভিযোগ নিয়ে তদন্তের মধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল।

বুধবার ( সেপ্টেম্বর) তিনি পদত্যাগ করেন। জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ তদন্ত করছে। 

পদত্যাগপত্রে সায়মা ওয়াজেদ জানান, বাংলাদেশে একটি জমি অবৈধভাবে নেওয়ার অভিযোগও তুলেছে ডব্লিউএইচও। তার দাবি, ডব্লিউএইচওতে যোগ দেওয়ার আগেই তিনি ওই জমি পেয়েছিলেন। বাংলাদেশের শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য একটি আইনের আওতায় তিনি জমিটি পাওয়ার অধিকারী ছিলেন।

ডব্লিউএইচও মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসুসকে দেওয়া পদত্যাগপত্রে সায়মা ওয়াজেদ বলেন, আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে তাকে দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার কারণে ডব্লিউএইচও নেতৃত্বের ওপর তার আস্থা বিশ্বাস নষ্ট হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। 

প্রায় এক বছর ধরে বেতন না পাওয়ায় তার আর্থিক পরিস্থিতিও অসহনীয় হয়ে উঠেছে বলে জানান তিনি। এসব পরিস্থিতিতে তিনি পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এদিকে ডব্লিউএইচও তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি। গত মাসে সংস্থাটি জানিয়েছিল, সায়মা ওয়াজেদ ছুটিতে আছেন। তবে গোপনীয়তা বজায় রাখার স্বার্থে তার বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল সংস্থাটি।

পরিচালক হিসেবে ২০২৪ সালের শুরুতে পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব নেন পুতুল। তবে তাকে ডব্লিউএইচও গত বছরের শেষ দিকে বেতনবিহীন প্রশাসনিক ছুটিতে পাঠায়। ওই বছরের মার্চে বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার বিরুদ্ধে প্রতারণা জালিয়াতির অভিযোগে মামলা করলে জুলাইয়ে প্রথম তাকে ছুটিতে পাঠানো হয়।

উল্লেখ্য, গত জুলাই ডব্লিউএইচওকে দেওয়া পুতুলের আইনজীবীদের পৃথক এক চিঠি অনুযায়ী, সায়মা ওয়াজেদের বিরুদ্ধে চীন ভ্রমণে আর্থিক অনিয়ম এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ জালিয়াতির অভিযোগ তদন্ত করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তবে তিনি অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন।