...|...|...

বিশ্ব

গ্রিসের সাথে ৩ বিলিয়ন ইউরোর প্রতিরক্ষা চুক্তি করল ইসরায়েল

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৬, বিকেল ৪:০৯ | আপডেট: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৬:২৭
Shares
গ্রিসের সাথে ৩ বিলিয়ন ইউরোর প্রতিরক্ষা চুক্তি করল ইসরায়েল

ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের সাথে ৩ বিলিয়ন ইউরো (৩.৪৮ বিলিয়ন ডলার) মূল্যের একটি বিশাল প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে গ্রিস। 

সোমবার (৩১ আগস্ট) ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের দেওয়া এক বিবৃতির বরাত দিয়ে এই তথ্য জানা গেছে। এই চুক্তির আওতায় ইসরায়েল গ্রিসের জন্য একটি ‘বহুস্তরীয়’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করে দেবে।

সংবাদ সংস্থা আরব উইকলির বরাতে বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, মূল চুক্তির বাইরে ২৬ মিলিয়ন ইউরো মূল্যের একটি পরিপূরক বা অতিরিক্ত চুক্তি হয়েছে, যার মাধ্যমে গ্রিসের কাছে ‘ড্রোন ডোম’ সিস্টেম বা আকাশ সুরক্ষা ব্যবস্থা বিক্রি করবে ইসরায়েল।

গ্রিক নিরাপত্তা পরিষদ এই চুক্তির অনুমোদন দিয়েছে। এই চুক্তির আওতায় উন্নত মানের স্বল্প, মাঝারি এবং দীর্ঘ পাল্লার মিসাইল বা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গ্রিক কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, গ্রিস তেল আবিবে অবস্থিত ইসরায়েলের ‘সিবাট’ এবং ‘মাফাত’ অধিদফতরের সাথে প্রায় ৩ বিলিয়ন ইউরো মূল্যের চারটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে, যা তিনটি ভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র এবং রাডার সিস্টেমের জন্য প্রযোজ্য।

তুরস্কের সাথে দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক বিরোধের কারণে জিডিপি-র প্রায় ৩.৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করে থাকে গ্রিস, যা অনেক ন্যাটো মিত্র দেশের তুলনায় অনেকটাই বেশি।

বর্তমানে নিজেদের আকাশসীমা সুরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত প্যাট্রিয়ট সিস্টেম, রাশিয়ান এস-৩০০ সিস্টেম এবং বিভিন্ন স্বল্পপাল্লার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে আসছে এথেন্স।

উল্লেখ্য, গ্রিস ২০৩৬ সালের মধ্যে প্রায় ২৮ বিলিয়ন ইউরো ব্যয় করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। যার মূল উদ্দেশ্য হলো—‘আচিলিস শিল্ড’ নামের বহুস্তরীয় অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক, অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট এবং অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম গড়ে তোলা, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৪০টি এফ-৩৫ ফাইটার জেট কেনা এবং ফ্রান্স ও ইতালি থেকে যুদ্ধজাহাজ বা ফ্রিগেট সংগ্রহ করা।

প্রসঙ্গত, শক্তিশালী অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের অংশ হিসেবে গ্রিস ও ইসরায়েল যৌথভাবে গ্রিসে একটি বিমান প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিচালনা করে, নিয়মিত যৌথ সামরিক মহড়ার আয়োজন করে এবং অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম ও সাইবার নিরাপত্তা খাতে একসাথে কাজ করে থাকে।

এর আগে, গত বছর এথেন্স প্রায় ৬৫০ মিলিয়ন ইউরো ব্যয়ে ইসরায়েল থেকে ৩৬টি রকেট আর্টিলারি সিস্টেম ক্রয় করেছিল।