...|...|...

সংবাদ

এয়ারবাসের সাথে ১০ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি বুধবার

টাইমস টুুডে প্রতিবেদক
প্রকাশ: ৪ অক্টোবর ২০২৬, রাত ১০:২৭ | আপডেট: ৫ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৮:৩৯
Shares
এয়ারবাসের সাথে ১০ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি বুধবার

ছবি: সংগৃহীত

ইউরোপীয় নির্মাতা এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি নতুন উড়োজাহাজ কিনতে আগামী বুধবার (৭ অক্টোবর) বহু বিলিয়ন ডলারের চুক্তি সই করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ বিমান। রবিবার (৪ অক্টোবর) গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে প্রক্রিয়াটির সাথে যুক্ত সূত্রগুলো।

সূত্র জানায়, আগামী বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকার একটি হোটেলে স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে।

দীর্ঘ দর-কষাকষির পর বাকি থাকা প্রধান বিষয়গুলোতেও বিমান ও এয়ারবাস একমত হয়েছে। ফলে এখন আর বড় কোনো বিষয় অমীমাংসিত নেই।

প্রস্তাবিত চুক্তির আওতায় আসবে ৪টি এ৩৫০-৯০০ ওয়াইডবডি ও ৬টি এ৩২১নিও ন্যারোবডি উড়োজাহাজ।

সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, জাতীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইনটির দূরপাল্লার রুট ও আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক বাড়ানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়নই এর উদ্দেশ্য। সূত্রমতে, শুধু এয়ারবাস প্যাকেজের মূল্য হবে ২ বিলিয়ন (২০০ কোটি) ডলারের বেশি।

এর আগে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, এয়ারবাস থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে এবং অক্টোবরেই চুক্তি সই হবে বলে তিনি আশাবাদী।

কিছুদিন আগেই বোয়িং থেকে কেনার পরিকল্পনা বাড়িয়ে ২৫টিতে নিয়ে গেছে বিমান। ৩০ এপ্রিল ১৪টি বোয়িং কেনার চুক্তি হয়েছিল, যার মূল্য ৩.৭ বিলিয়ন (৩৭০ কোটি) ডলার।

সেই চুক্তিতে বাড়তি উড়োজাহাজ কেনার অধিকারসংক্রান্ত একটি শর্ত ছিল। ওই শর্ত কাজে লাগিয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে আরেকটি সম্পূরক চুক্তি সই হয়। এর আওতায় কেনা হবে ৫টি ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার ও ৬টি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স।

এ চুক্তির মোট ব্যয় প্রায় ২.৭ বিলিয়ন (২৭০ কোটি) ডলার। মন্ত্রীর ভাষ্য, দাম নির্ধারণ হয়েছে এপ্রিলের চুক্তির একই দরের ভিত্তিতে।

দুই চুক্তি মিলিয়ে বোয়িং থেকে মোট ২৫টি উড়োজাহাজ আসছে। এর মধ্যে ১৫টি ওয়াইডবডি (২টি ৭৮৭-৯ ও ১৩টি ৭৮৭-১০) এবং ১০টি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স।

চুক্তি অনুযায়ী বোয়িংয়ের প্রথম উড়োজাহাজ বিমানের বহরে যোগ হবে ২০৩১ সালের নভেম্বরে, আর শেষটি পাওয়া যাবে ২০৩৫ সালের মধ্যে। তবে অন্তত একটি উড়োজাহাজ ২০২৭ বা ২০২৮ সালের মধ্যে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে বিমান।

এয়ারবাস চুক্তি হলে বিমানের পাইপলাইনে নতুন উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়াবে ৩৫টি, যার ১৯টি ওয়াইডবডি ও ১৬টি ন্যারোবডি।

এটি হবে এয়ারলাইনটির ইতিহাসের অন্যতম বড় বহর সম্প্রসারণ। এতে দূরপাল্লা ও আঞ্চলিক দুই ধরনের রুটেই যাত্রী বহনক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে প্রত্যাশা।