উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে কিশোর ফুটবলার হিসেবে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল। ১৪ গোল করে এই রেকর্ড গড়েছেন তিনি। এর আগে ১৩ গোল নিয়ে রেকর্ডটি ছিল ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পের দখলে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে ন্যু ক্যাম্পে অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ের ম্যাচে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন ইয়ামাল। ম্যাচের সপ্তম মিনিটে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের ভুল কাজে লাগিয়ে বার্সেলোনাকে এগিয়ে দেন তিনি। সেই গোলের মধ্য দিয়েই চ্যাম্পিয়নস লিগে কিশোর বয়সে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়েন স্প্যানিশ এই উইঙ্গার।
২০১৭ সালে ফরাসি ক্লাব মোনাকোর হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে কিশোর বয়সে ১৩ গোল করেছিলেন এমবাপ্পে। এবার ১৪ গোল করে তাকে ছাড়িয়ে গেলেন ইয়ামাল। অবশ্য পুরো চ্যাম্পিয়নস লিগ ক্যারিয়ারে এমবাপ্পের গোলসংখ্যা ৭২।
মাত্র ৩৭ ম্যাচ খেলেই প্রতিযোগিতাটিতে ১৪ গোল করেছেন ইয়ামাল। অল্প বয়সেই ইউরোপের ক্লাব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই আসরে একের পর এক রেকর্ড গড়েছেন বার্সেলোনার এই তারকা।
চ্যাম্পিয়নস লিগে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে অভিষেকের রেকর্ডও রয়েছে তার দখলে। পোর্তোর বিপক্ষে মাত্র ১৬ বছর ৮৩ দিন বয়সে ইউরোপের এই প্রতিযোগিতায় অভিষেক হয়েছিল ইয়ামালের।
এ ছাড়া চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে গোল ও অ্যাসিস্ট করার কীর্তিও রয়েছে তার। প্রতিযোগিতাটির ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে সেমিফাইনালে গোল করার রেকর্ডও গড়েছেন এই স্প্যানিশ ফুটবলার। ১৮তম জন্মদিনের আগে পাঁচটি এবং ১৯তম জন্মদিনের আগে ১১টি গোল করে বয়সভিত্তিক গোলের তালিকাতেও নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন তিনি।
তবে সব রেকর্ডই যে এখনো ইয়ামালের দখলে, তা নয়। চলতি বছরের শুরুতে ম্যাক্স ডাউম্যান চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট পর্বে সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতার রেকর্ডটি ভেঙে দেন।
এদিকে সদ্যসমাপ্ত ব্যালন ডি’অরের লড়াইয়ে হ্যারি কেইন ও কিলিয়ান এমবাপ্পের পর তৃতীয় স্থানে ছিলেন ইয়ামাল। নতুন মৌসুমেও দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন বার্সেলোনার এই তরুণ। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ১৫ ম্যাচে ১৩ গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে ১১টি গোল করিয়েছেন তিনি।



