...|...|...

জাতীয়

অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান দিলে মিলবে সরকারি পুরস্কার: এসআরবি

টাইমস টুুডে প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:৪৯ | আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ১২:৩৭
Shares
অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান দিলে মিলবে সরকারি পুরস্কার: এসআরবি

ছবি: সংগৃহীত

দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে থাকা লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান দিতে সাধারণ মানুষের সহযোগিতা চেয়েছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখার পাশাপাশি সরকারি বিধি অনুযায়ী পুরস্কার দেওয়ার কথাও জানিয়েছে বাহিনীটি।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এসআরবি মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান বাহিনীর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এ জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধারে সরকার ও এসআরবির পক্ষ থেকে বিশেষ অভিযান চলছে। পুলিশ, সেনাবাহিনী ও এসআরবির যৌথ বিভিন্ন অভিযানে এরই মধ্যে বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অভিযান আরও কার্যকর করতে স্থানীয় মানুষের কাছ থেকে তথ্য প্রয়োজন।

ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ অস্ত্রের অবস্থান সম্পর্কে কিছু প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। কিন্তু পর্যাপ্ত ও নির্দিষ্ট তথ্যের অভাবে অনেক ক্ষেত্রে অস্ত্রগুলো শনাক্ত করে উদ্ধার করা কঠিন হচ্ছে। তাই কারও কাছে এ ধরনের অস্ত্রের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য থাকলে তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি।

এসআরবির এই কর্মকর্তা বলেন, কোনো ঘটনার সময় থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র কেউ নিয়ে যেতে পারেন। অনেক ক্ষেত্রে তার কোনো অপরাধমূলক উদ্দেশ্য নাও থাকতে পারে। পরিস্থিতির কারণে অস্ত্র নিয়ে যাওয়ার পর কীভাবে তা ফেরত দেবেন, তা নিয়ে অনেকে দ্বিধায় থাকেন। আবার আইনি ঝামেলার আশঙ্কায় তথ্য জানাতেও ভয় পেতে পারেন।

এ পরিস্থিতি বিবেচনায় অস্ত্রের অবস্থান জানাতে সাধারণ মানুষের জন্য এই সুযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, নির্দিষ্ট স্থানে অস্ত্র রেখে শুধু তার অবস্থান সম্পর্কে বাহিনীকে জানালেই হবে। যেমন—কোনো জায়গায় দুটি পিস্তল, একটি রাইফেল কিংবা কয়েকটি ম্যাগাজিন বা গুলি রয়েছে—এ ধরনের তথ্য পেলেই অভিযান চালিয়ে সেগুলো উদ্ধার করা হবে। তথ্যদাতাকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী পুরস্কার দেওয়া হবে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার ক্ষেত্রেও তথ্য দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।

এদিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের অপরাধ পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন এসআরবির এই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, অপরাধপ্রবণতা নিয়ন্ত্রণে আনা একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। রাতারাতি কোনো এলাকার পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। তবে অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে এসআরবির কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

তিনি জানান, এসব এলাকায় সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি অভিযানে কর্মকর্তাদের উপস্থিতি বৃদ্ধি করা হয়েছে। একই সাথে গোয়েন্দা তৎপরতা ও সাইবার নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।