...|...|...

বিশ্ব

হরমুজে দুটি মার্কিন অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৩ নভেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৫২
Shares
হরমুজে দুটি মার্কিন অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। সোমবার কেশম দ্বীপের দক্ষিণে ইলেকট্রনিক যুদ্ধব্যবস্থা ব্যবহার করে ড্রোন দুটি ভূপাতিত করা হয় বলে জানিয়েছে ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম। এ নিয়ে একই ধরনের চারটি মার্কিন ড্রোন আটক বা ভূপাতিত করার দাবি করল তেহরান।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বার্তাসংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্স এমকিউএম-১৭০ মডেলের দুটি ড্রোনের বিরুদ্ধে উন্নত ইলেকট্রনিক যুদ্ধব্যবস্থা ব্যবহার করে। তাসনিমের দাবি, এই অভিযানের ফলে ড্রোন দুটি তাদের নির্ধারিত অভিযান সম্পন্ন করতে পারেনি। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি সংস্থাটি।

এর আগে গত সপ্তাহেও একই ধরনের দুটি ড্রোন নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করেছিল ইরান। শুক্রবার দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানায়, কেশম দ্বীপের ওপর একটি এমকিউএম-১৭০ ড্রোন ইলেকট্রনিক যুদ্ধব্যবস্থা ব্যবহার করে ভূপাতিত করেছে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্স।

এর আগের দিন আইআরজিসির নৌবাহিনী দাবি করে, হরমুজ প্রণালীর পশ্চিমাঞ্চলে একই ধরনের আরেকটি ড্রোনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সেটিকে অক্ষত অবস্থায় অবতরণ করাতে সক্ষম হয়েছে তারা। তবে বৃহস্পতিবারের ওই ঘটনার বিষয়ে ইরানের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সোমবার জানিয়েছেন, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে দুই দেশ নিজেদের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান করছে।

তিনি আরও জানান, কাতারের মধ্যস্থতায় এ যোগাযোগ সহজ করতে ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি দোহা সফর করেছেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা শুরু করে। এর জবাবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায় তেহরান। পরে এপ্রিলে দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

এরপর ১৮ জুন হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করে। তবে প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে এর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া থমকে রয়েছে।