ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে তামিলনাড়ুর রাজধানী চেন্নাইয়ের সেন্ট জর্জ ফোর্ট চত্বরে নিজের প্রথম স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয়। ভাষণের শুরুতে তিনি বিশ্বের তামিল স্বজনদের পাশাপাশি বিশেষভাবে ‘জেন জি’ প্রজন্মকে ‘ভানাক্কম’ (নমস্কার) জানিয়ে অভিবাদন জানান।
শনিবার (১৫ আগস্ট) অনুষ্ঠানের পতাকা উত্তোলনের প্রাক্কালে সামনের সারিতে উপস্থিত ছিলেন বিজয়ের বাবা-মা এস এ চন্দ্রশেখর ও শোভা চন্দ্রশেখর এবং দক্ষিণী অভিনেত্রী তৃষা। খবর এনডিটিভির।
ভাষণে প্রশাসনিক বিষয়ে কেন্দ্র সরকারের প্রতি সহযোগিতার কথা বললেও রাজ্যের অধিকারের পরিপন্থী কোনো নীতি কখনোই মেনে নেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী।
দুর্নীতি দূর করাকেই প্রকৃত স্বাধীনতা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের রাজস্ব কোনো ব্যক্তিগত তহবিলে যাতে না যায়, সেদিকে কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রতিটি বিভাগে দুর্নীতি নির্মূলে লাগাতার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
কোনো নির্দিষ্ট দলের নাম না নিয়ে বিজয় বলেন, তার সরকারের বিরুদ্ধে সক্রিয় অশুভ শক্তি এবং ষড়যন্ত্রগুলো সফল হতে দেওয়া হবে না। আগের সরকারের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলো অব্যাহত রাখা হবে জানিয়ে তিনি এআইডিএমকে-র ‘আম্মা উভনাগম’ এবং ডিএমকে-র স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য প্রাতরাশ প্রকল্পের কথা উল্লেখ করেন।
এ ছাড়া আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর দ্রাবিড় মতাদর্শের প্রতীক সি এন আন্নাতুরাইয়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সরকারি হাসপাতালের নবজাতকদের জন্য ৭০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে ‘থাইমামান থাঙ্গা মোথিরাম থিতাম’ (সোনার আংটি উপহার প্রকল্প) চালুর ঘোষণা দেন তিনি।
এদিকে, প্রাক্তন সেনাসদস্য পরিবারের মেয়েদের বিবাহের আর্থিক সহায়তা ২৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা, ভিন্নভাবে সক্ষম প্রাক্তন সেনা ও তাদের পরিবারের মাসিক ভাতা ৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৭ হাজার টাকা এবং স্বাধীনতা সংগ্রামীদের পেনশন ২৩ হাজার এবং তাদের পরিবারগুলোর জন্য পারিবারিক পেনশন ১২ হাজার ৫০০ টাকায় উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।


