সৌদি আরবের দিকে ধেয়ে আসা চারটি ড্রোন প্রতিহত করে ধ্বংস করেছে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের এক মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন।
সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে বলছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পৃথক এক পোস্টে মুখপাত্র জানান, মদিনা ও সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে ড্রোনগুলো শনাক্ত করে প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়।
তবে ড্রোনগুলো কোথা থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।।
এদিকে, হুথিদের হামলায় ইয়েমেনের আল-আলাম সামরিক ক্যাম্পে ৭৩ জন নিয়োগপ্রত্যাশী নিহত এবং দুই শতাধিক আহত হয়েছেন। নিহত ও আহতদের বয়স ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। তারা সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেওয়ার বদলে প্রাদেশিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন।
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান তাইজে জরুরি মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং বেসামরিক মানুষকে নিরাপদে সরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। জনবসতিপূর্ণ এলাকায় বিস্ফোরক অস্ত্রের ব্যবহার এড়ানোরও আহ্বান জানান তিনি।
অন্যদিকে, সৌদি আরবের শহরগুলোকে সুরক্ষা দিতে আকাশে প্রতিরক্ষামূলক টহল চালানোর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। দেশটির রয়্যাল এয়ার ফোর্সের এই টহলের লক্ষ্য আকাশে থাকা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করা; ইয়েমেনে হুথিদের স্থলভিত্তিক অবস্থানে হামলা চালানো নয়।
এ ছাড়া সৌদি আরবকে সহায়তা দিতে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ও যুদ্ধবিমান পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে মিশর। তবে ইয়েমেনে স্থলবাহিনী পাঠানোর পরিকল্পনা নেই। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে দেশটির সংসদের অনুমোদন প্রয়োজন।
২০১৪ সালে হুথিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা ও দেশের উত্তরাঞ্চলের বড় অংশ দখল করার পর থেকে দেশটিতে সংঘাত চলছে। সৌদি আরব আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন করায় দেশটিকে লক্ষ্য করে হুথিদের হামলাও বেড়েছে।


