...|...|...

জাতীয়

সৌদির কারাগারে ২২ বাংলাদেশির সাজা কী, জানে না কনস্যুলেট

টাইমস টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, রাত ১০:৪৮ | আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৬, রাত ১০:৫৭
Shares
সৌদির কারাগারে ২২ বাংলাদেশির সাজা কী, জানে না কনস্যুলেট

ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি রয়েছেন ২ হাজার ৪৬১ জন বাংলাদেশি। তাদের মধ্যে ২২ জনের নামের পাশে ‘দণ্ডপ্রাপ্ত’ লেখা থাকলেও কী সাজা দেওয়া হয়েছে, তা উল্লেখ নেই। কারও কারাদণ্ডের মেয়াদ, এমনকি মৃত্যুদণ্ডের মতো শাস্তি হয়েছে কি না, সে বিষয়েও তথ্য নেই সৌদি কর্তৃপক্ষের পাঠানো তালিকায়। বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানে না জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেটও।

এই ২২ জনের তালিকায় ছিলেন নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তার। সম্প্রতি তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর বাংলাদেশে ক্ষোভের সৃষ্টি করে। তাদের মতো তালিকাভুক্ত অন্য ২০ জনের সাজা কী, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে। এ অবস্থায় দণ্ডিত বাংলাদেশিদের শাস্তির বিস্তারিত জানতে সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে চিঠি দিয়েছে জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট।

গত ১৯ অক্টোবর সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মক্কা অঞ্চল শাখা, জেদ্দার কাছে চিঠিটি পাঠানো হয়। এতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করে দণ্ডিত বাংলাদেশিদের রায়ের সারসংক্ষেপ দ্রুত পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে। কনস্যুলার দায়িত্ব পালনের স্বার্থে এসব তথ্য প্রয়োজন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২ হাজার ৪৬১ জন বাংলাদেশি বন্দির একটি তালিকা পাঠায়। জেদ্দা বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কর্মপরিধির আওতাধীন এলাকার বিভিন্ন কারাগারে বন্দি এসব বাংলাদেশির কারও বিরুদ্ধে আদালতের রায় হয়েছে, আবার কারও মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

তালিকাটি পর্যালোচনা করতে গিয়ে কনস্যুলেট দেখতে পায়, কয়েকজনের ‘অবস্থা’ কলামে ‘দণ্ডপ্রাপ্ত’ লেখা থাকলেও ‘রায়ের সারসংক্ষেপ’ কলামে কোনো তথ্য নেই। ফলে তাদের কী ধরনের সাজা হয়েছে বা সাজার মেয়াদ কত, তা জানা সম্ভব হয়নি।

এ পরিস্থিতিতে গত ১৯ অক্টোবর সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো চিঠির সাথে নয় পাতার একটি তালিকাও সংযুক্ত করে কনস্যুলেট। এতে সংশ্লিষ্ট বন্দিদের বিবরণ রয়েছে। তবে চিঠিতে কতজনের রায়ের তথ্য অনুপস্থিত, তা উল্লেখ করা হয়নি। সংযুক্ত তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, এমন বন্দির সংখ্যা ২২ জন।

দণ্ডিত বাংলাদেশিদের সাজা সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া গেলে তাদের কনস্যুলার সহায়তা নিশ্চিত করা সহজ হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট পক্ষ। এখন সৌদি কর্তৃপক্ষের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ কনস্যুলেট।