পদত্যাগে বাধ্য হওয়া বিএনপির সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, সেই প্রশ্ন তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মারদিয়া মমতাজ। তিনি অভিযোগ করেছেন, একটি ঘটনাকে সামনে এনে অন্য ঘটনা আড়ালের মাধ্যমে সরকার শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ‘মুক্ত গণমাধ্যম, বাক্স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক সহিংসতা’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনার-২০২৬-এ বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন মারদিয়া মমতাজ।
তিনি বলেন, সরকারদলীয় একজন সংসদ সদস্যকে পদত্যাগ করতে বলার পর গণমাধ্যমে বিষয়টি ব্যাপকভাবে প্রচার করা হয়। পদত্যাগের ঘটনাকে বড় পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরে সাধুবাদও জানানো হয়েছিল। তবে ওই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ ছিল কি না, থাকলে সে বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না এসব প্রশ্নে গণমাধ্যমে কার্যকর অনুসন্ধান বা পরবর্তী আলোচনা দেখা যায়নি।
মারদিয়া মমতাজ প্রশ্ন তোলেন, পদত্যাগকারী ওই সংসদ সদস্য আদৌ বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন কি না, তা কেন জানতে চাওয়া হচ্ছে না? তার ভাষ্য, একটি ঘটনাকে সামনে এনে অন্য ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা চলছে, আর এ কাজে গণমাধ্যম বড় হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জবাবদিহির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। একইসাথে তাদের কঠোর জবাবদিহির আওতায়ও থাকতে হবে। তা না হলে গণমাধ্যম রাষ্ট্রের স্বাধীন চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে ভূমিকা পালনের পরিবর্তে সরকারের মুখপত্রে পরিণত হতে পারে।


