...|...|...

লাইফস্টাইল

রোজায় পানিশূন্যতা এড়াতে যেসব অভ্যাস জরুরি

রোজায় পানিশূন্যতা এড়াতে যেসব অভ্যাস জরুরি

Times Today
প্রকাশ: ১১ মে ২০২৬, ভোর রাত ৫:০৯ | আপডেট: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ভোর রাত ৫:৪৮
Shares
রোজায় পানিশূন্যতা এড়াতে যেসব অভ্যাস জরুরি

রোজায় দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে শরীর পানিশূন্যতা ঝুঁকিতে থাকে।  কারণ সারাদিন পানাহার থেকে বিরত থাকতে হয়, ফলে শরীরের তরল ক্ষতি হয় ঘাম, শ্বাস-প্রশ্বাস ও পেশীর কার্যক্রমে।  এই অবস্থায় পানিশূন্যতা এড়াতে শুধু ইফতার বা সেহরিতে পানি খাওয়া যথেষ্ট নয়, সঠিক অভ্যাস গড়ে তোলাও জরুরি।

ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করুন

সেহরি ও ইফতারের সময় মোটামুটি ৮-১০ গ্লাস পানি বা তরল খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।  দিনে একবারে খুব বেশি পানি খাওয়ার চেয়ে এতে পানি ধীরে ধীরে পান করলে শরীর তার শোষণ ভালোভাবে করতে পারে।  ফল ও সবজি যেমন তরমুজ, শসা, কমলা, টমেটো ইত্যাদি পানি-সমৃদ্ধ।  এগুলো সেহরি ও ইফতারে থাকলে শরীর দীর্ঘসময় হাইড্রেটেড থাকে।

ক্যাফেইন ও চিনি-সমৃদ্ধ পানীয় সীমিত করুন

চা, কফি ও কোলার মতো পানীয় শরীর থেকে পানি বের করে দেয় , ফলে শরীর দ্রুত পানি হ্রাস পায়।  জুস বা চিনিযুক্ত মিষ্টি পানীয়ও বেশি শর্করা থাকার কারণে ডিহাইড্রেশন বাড়াতে পারে।

লবণ ও মসলাযুক্ত খাবার কম খান

অতিরিক্ত লবণ শরীরের পানির চাহিদা বাড়ায়।  তাই সেহরি ও ইফতারে বেশি লবণ বা তীব্র মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।  সেই সাথে লবণের বদলে লেবু, জিরা, তুলসী ইত্যাদি ব্যবহার করে স্বাদ বাড়িয়ে নিতে পারেন।

হালকা ও নিয়মিত পানি পান করার অভ্যাস গড়ে তুলুন
রোজা যখন ভাঙবে (ইফতার), তখন একবারে অনেক পানি না গিলেই বরং ধীরে ধীরে এবং নিয়মিত পানি পান করুন।  এইভাবে শরীরকে পর্যায়ক্রমে হাইড্রেটেড রাখা সহজ হয়।

বাইরের তাপ বা গরমে দীর্ঘ সময় থাকলে সতর্ক থাকুন

যদি রোজা রাখার সময়ে সূর্যের তাপে বেশি সময় কাটে বা শারীরিক কাজ বেশি হয়, তাহলে ঘাম বের হয়ে শরীর থেকে আরও পানি ক্ষয় হতে পারে।  চেষ্টা করুন সূর্যের তাপ থেকে দূরে থাকুন এবং হালকা কাজ বা বিশ্রাম নিন।

ইফতার ও সেহরিতে স্যুপ বা দই রাখুন

হালকা তরকারি স্যুপ বা দই পানি ও ইলেকট্রোলাইট সরবরাহে সাহায্য করে এবং হজমে সহায়ক।  বিশেষ করে দইতে থাকা প্রোবায়োটিক উপাদান পেটের ত্বরণ ভালো রাখে।

রোজা রাখার সময় শরীরের সিগন্যাল যেমন খুব বেশি পিপাসা, মাথাব্যথা, অতি ক্লান্তি বা কম প্রস্রাবের রং এসব লক্ষণ পানিশূন্যতার ইঙ্গিত দিতে পারে।  এই পরিস্থিতিতে  চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।