...|...|...

বিশ্ব

রাশিয়া-ইউক্রেনের জরুরি সতর্কবার্তা অ্যাপগুলোতে সাইবার হামলা

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২ নভেম্বর ২০২৬, সকাল ১১:৫৪ | আপডেট: ২ নভেম্বর ২০২৬, দুপুর ১২:১১
Shares
রাশিয়া-ইউক্রেনের জরুরি সতর্কবার্তা অ্যাপগুলোতে সাইবার হামলা

ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়া ও ইউক্রেনের বিমান হামলার সতর্কবার্তা দেওয়ার অ্যাপ সাইবার হামলার শিকার হয়েছে। প্রথমে ইউক্রেনের সতর্কবার্তা অ্যাপ হ্যাক হওয়ার খবর আসে। এর কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে রাশিয়াও তাদের জরুরি সতর্কবার্তা অ্যাপে ব্যাপক সাইবার হামলার কথা জানায়। দুই দেশের অ্যাপেই ছড়িয়ে পড়ে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য।

সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, সোমবার (২ নভেম্বর) ভোরে টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে রাশিয়ার জরুরি পরিস্থিতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের সতর্কবার্তা অ্যাপে ব্যাপক সাইবার হামলা হয়েছে। এতে অ্যাপটিতে ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণত এই অ্যাপের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের ড্রোন হামলার আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। তবে হামলার পেছনে কারা রয়েছে, সে বিষয়ে কিছু জানায়নি মন্ত্রণালয়।

এর আগে রবিবার সন্ধ্যায় ইউক্রেনের বিমান বাহিনী জানায়, দেশটির বিমান হামলার সতর্কবার্তা অ্যাপ ব্যবহারকারীরা কিয়েভ ও আশপাশের এলাকায় পারমাণবিক ও রাসায়নিক হামলার ভুয়া সতর্কবার্তা পেয়েছেন। পাশাপাশি রাস্তায় সম্ভাব্য লড়াইয়ের বিষয়েও সতর্ক করা হয়।

একটি ভুয়া বার্তায় দাবি করা হয়, রাশিয়া তাদের হাইপারসনিক ‘ওরেশনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে।

রবিবার টেলিগ্রামে ইউক্রেনের বিমান বাহিনী জানায়, তাদের ধারণা, অ্যাপটি শত্রুপক্ষের প্রভাবে পড়েছে। একই সঙ্গে তারা জানায়, কোনো তেজস্ক্রিয়তার ঝুঁকি নেই। ব্যবহারকারীদের শান্ত থাকার এবং বিমান বাহিনীর দেওয়া হালনাগাদ তথ্য অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়।

ইউক্রেনের কৌশলগত যোগাযোগ কেন্দ্র ‘স্প্রাভদি’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এই সাইবার হামলার জন্য রাশিয়াকে দায়ী করেছে। তবে রাশিয়ার পক্ষ থেকে এ অভিযোগের বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইউক্রেনজুড়ে ব্যবহৃত এই অ্যাপের মাধ্যমে রুশ বিমান হামলার সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা পান সাধারণ মানুষ। তবে কিয়েভ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাজধানীর জন্য আলাদাভাবে তৈরি সতর্কবার্তা অ্যাপটি স্বাভাবিকভাবেই কাজ করছিল।

এদিকে, রাশিয়া ও ইউক্রেনের সতর্কবার্তা অ্যাপে সাইবার হামলার খবর এমন সময়ে এল, যখন রুশ-অধিকৃত খেরসন অঞ্চলের একটি অংশে দুই পক্ষের মধ্যে চলমান স্থানীয় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার শুরু হওয়া এই যুদ্ধবিরতি রবিবার শেষ হয়। চলমান যুদ্ধের মধ্যে এটিই ছিল এখন পর্যন্ত সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী স্থানীয় যুদ্ধবিরতি।