বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার ফলে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা এবং মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা জোরালো হওয়ায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম ১ শতাংশের বেশি হ্রাস পেয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টা ১৭ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম ১.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,২২৩.৯৫ ডলারে নেমে আসে। একই সাথে মার্কিন গোল্ড ফিউচার্সের দামও ১.৫ শতাংশ কমে ৪,২৫৭.৯০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, উচ্চ বন্ড ইল্ড এবং তেলের চড়া দাম একসাথে স্বর্ণের বাজারের জন্য বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। তেল সরবরাহের মিশ্র সংকেতের কারণে তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের ভাবনায় মূল্যস্ফীতিকে একেবারে সামনে নিয়ে এসেছে।
এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী পুনর্উমুক্ত করা এবং লড়াই বন্ধ করার ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর ইরান জোর দিয়ে বলেছিল যে, একমাত্র কূটনীতিই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে তাদের দ্বন্দ্বের অবসান ঘটাতে পারে। এর ফলে তেলের দাম ১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পায়।
ওয়াটারার সতর্ক করে বলেন, প্রত্যাশিতের চেয়ে শক্তিশালী মূল্যস্ফীতি বা কর্মসংস্থানের ডেটা বন্ডের সুদের হারের ওপর ঊর্ধ্বমুখী চাপ বজায় রাখতে পারে এবং স্বর্ণের দামের ওপর আরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এদিকে, স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও দরপতন দেখা গেছে। স্পট সিলভার বা রূপার দাম ২.৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬২.৬৪ ডলারে নেমেছে। এছাড়া প্ল্যাটিনামের দাম ২.১ শতাংশ কমে ১,৭৪১.৪৫ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ২.১ শতাংশ কমে ১,২৩৯.৯৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে।


