...|...|...

জাতীয়

বাইকসহ গাড়ির মালিক-চালকদের বড় সুখবর দিল বিআরটিএ

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৮:২৬ | আপডেট: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৯:১২
Shares
বাইকসহ গাড়ির মালিক-চালকদের বড় সুখবর দিল বিআরটিএ

মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদ করার সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। ফলে মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের মালিক ও চালকেরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মূল কর ও ফি পরিশোধ করে কাগজপত্র হালনাগাদ করার সুযোগ পাবেন।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জরিমানা ছাড়া সব ধরনের মোটরযানের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। এর মধ্যে রয়েছে ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিট। একই সময়ের মধ্যে ড্রাইভিং লাইসেন্সও হালনাগাদ করা যাবে।

বিআরটিএ গ্রাহকদের এ সুযোগকে শেষবারের মতো সুযোগ হিসেবে নিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।

এর আগে বিআরটিএ জানিয়েছে, মোটরযান বিক্রির পর নতুন মালিকের নামে মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিআরটিএর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ২১ ধারা অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন করা বাধ্যতামূলক।

তবে অনেক ক্ষেত্রে ক্রেতারা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি সড়ক বা মহাসড়কে ব্যবহার করছেন। এতে মোটরযানটির আগের মালিককে বিভিন্ন ধরনের আইনি ও আর্থিক জটিলতার মুখে পড়তে হচ্ছে।

মালিকানা পরিবর্তন না করলে পুরনো মালিককেই সংশ্লিষ্ট মোটরযানের জন্য নির্ধারিত অগ্রিম আয়কর, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ১৫০ শতাংশ অগ্রিম আয়কর এবং পরিবেশ সারচার্জ পরিশোধ করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিআরটিএ।

বিআরটিএ জানিয়েছে, বর্তমানে মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া আগের তুলনায় সহজ ও দ্রুত করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার উপস্থিতিতে হ্যান্ড-হেল্ড ডিভাইসের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারবেন।

মোটরযান বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট মালিক ও ক্রেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিআরটিএ। অন্যথায় আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।

এদিকে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ কার্যকর করতে ড্রাইভিং লাইসেন্সের দোষসূচক পয়েন্ট কর্তনও শুরু করেছে বিআরটিএ।

সংস্থাটি জানিয়েছে, আইনটির ধারা ১১(১) অনুযায়ী প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিপরীতে ১২টি পয়েন্ট বরাদ্দ থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে অর্থদণ্ড বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে নির্ধারিত হারে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

ফলে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে কাগজপত্র ও লাইসেন্স হালনাগাদের পাশাপাশি মোটরযান মালিক ও চালকদের সড়ক পরিবহন আইন মেনে চলার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে বিআরটিএ।