সামনে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট বসাতে আরও দেড় মাস সময় পেলেন মোটরসাইকেল মালিকরা। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এ নম্বরপ্লেট সংযোজন করতে হবে। এর আগে সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৫ নভেম্বর।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) নিজেদের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে সময়সীমা বাড়ানোর কথা জানায় বিআরটিএ।
বিবৃতিতে বলা হয়, “সরকার কর্তৃক মোটরসাইকেলের সম্মুখভাগে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময়সীমা আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।”
নির্দেশনা অনুযায়ী, মোটরসাইকেলের মালিকদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সামনের নম্বরপ্লেট বসাতে হবে। এ জন্য বিআরটিএর নির্ধারিত মাপ ও নকশা অনুসরণ করতে হবে। স্কুটার ও অন্যান্য মোটরসাইকেলের জন্য নম্বরপ্লেটের আলাদা মাপ নির্ধারণ করেছে সংস্থাটি।
স্কুটারের সামনের নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য হবে ২০০ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ১০০ মিলিমিটার। এতে ব্যবহৃত অক্ষর ও সংখ্যার ফন্টের উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার রাখতে হবে।
স্কুটার ছাড়া অন্য মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য হবে ২৮৫ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ৫০ মিলিমিটার। এসব নম্বরপ্লেটেও অক্ষর ও সংখ্যার ফন্টের উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার হতে হবে। এ ধরনের মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর একটি অনুভূমিক রেখায় লেখা যাবে। যেমন: ঢাকা মেট্রো-ল-১১-১২২৯।
এর আগে ১৬ অক্টোবর এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে মোটরসাইকেলের পেছনের পাশাপাশি সামনেও রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রদর্শনের নির্দেশ দেয় বিআরটিএ। তখন মালিকদের নিজ উদ্যোগে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে সামনের ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজন করতে বলা হয়েছিল।
ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২ অনুযায়ী মোটরসাইকেলের পেছনে কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত আরএফআইডিসহ উন্নতমানের রেট্রো-রিফ্লেক্টিভ ধাতব নম্বরপ্লেট ব্যবহারের বিধান রয়েছে। এর পাশাপাশি সামনের অংশেও রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রদর্শন করতে হবে।


