...|...|...

বিশ্ব

ফরাসি শিক্ষা কেন্দ্র বন্ধ নিয়ে ফ্রান্সের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান ইরানের

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১:৩৩ | আপডেট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ২:১৩
Shares
ফরাসি শিক্ষা কেন্দ্র বন্ধ নিয়ে ফ্রান্সের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান ইরানের

ছবি: সংগৃহীত

তেহরানে ফরাসি দূতাবাসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে ফ্রান্সের করা দাবি ‘ভিত্তিহীন ও মিথ্যা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় আইনি নিবন্ধন ও অনুমতি ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালনার দায়ে আদালতের নির্দেশে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সংবাদমাধ্যম তাসনীম নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২০ সেপ্টেম্বরের বিবৃতির জবাবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, প্রতিষ্ঠানটিকে আইনিভাবে নিবন্ধন এবং কার্যক্রম পরিচালনার প্রয়োজনীয় অনুমতি নিতে ফরাসি দূতাবাসকে বছরের পর বছর ধরে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল। এসব সতর্কতা উপেক্ষা করার পরই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, ১৯৬১ সালের কূটনৈতিক সম্পর্ক বিষয়ক ভিয়েনা কনভেনশনে কূটনৈতিক মিশনের বিশেষাধিকার ও দায়মুক্তির বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে নির্ধারিত রয়েছে। তবে সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন ও পরিচালনার ক্ষেত্রে দূতাবাসগুলোকে স্বাগতিক দেশের আইন ও বিধিমালা মেনে চলতে হয়।

ইরানের দাবি, ফরাসি দূতাবাস দেশটির আইন উপেক্ষা করে অভ্যন্তরীণ বিধিমালা থেকে ছাড় পাওয়ার যে অবস্থান নিয়েছে, তা ‘কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়’। একই সঙ্গে ইরানি আইন বা কূটনৈতিক রীতিনীতির পরিপন্থী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে ফরাসি দূতাবাসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তেহরান।

তেহরানের সরকারি কৌঁসুলির নির্দেশে ফরাসি দূতাবাসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ‘সিএলএফ’ নামের একটি কেন্দ্র সিলগালা করার পর ইরানের এই বক্তব্য এলো। ইরানের ভাষ্য অনুযায়ী, কেন্দ্রটি ভাষা শিক্ষার আড়ালে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি, দেশটির আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী পরিচালনার লাইসেন্স সংগ্রহের জন্য আইনি কর্তৃপক্ষ কেন্দ্রটিকে বারবার সতর্ক করেছিল। কিন্তু কেন্দ্রটি তা মানতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে তেহরান প্রসিকিউটর অফিসের আদালতের নির্দেশে কেন্দ্রটি সিলগালা করা হয়।

ইরানের অভিযোগ, ভাষা প্রশিক্ষণের কার্যক্রমের আড়ালে কেন্দ্রটি ইরানি-ইসলামি সংস্কৃতি ও জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছিল। এ ছাড়া সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করা, তাদের মধ্যে নেটওয়ার্ক তৈরি এবং দেশত্যাগে সহায়তার মতো কর্মকাণ্ডেও কেন্দ্রটি জড়িত ছিল বলে দাবি করেছে তেহরান।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ফ্রান্সের অবস্থান বা প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।