বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চীনের বিরুদ্ধে গোপন তথ্য সংগ্রহ ও গুপ্তচরবৃত্তির নেটওয়ার্ক বিস্তারের আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে সামরিক প্রতিষ্ঠান, গবেষণা সংস্থা ও প্রযুক্তি খাতের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চীনে পাচার হওয়ার আশঙ্কায় সতর্কতা বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ।
ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চীনা সরকারের হয়ে নজরদারি চালানোর অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতারের পর চীনের এই তৎপরতা নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
এমনকি যুক্তরাষ্ট্রে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম লাইয়ের পরিবারের ওপর নজরদারির অভিযোগে এক নারীকে গ্রেফতারের পর আইন আরও কঠোর করছে তাইওয়ান প্রশাসন।
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, চীন এখন কেবল প্রথাগত গুপ্তচরবৃত্তি নয়; বরং সাইবার হামলা, বাণিজ্যিক প্রযুক্তি চুরি এবং বিদেশে অবস্থানরত নিজস্ব নাগরিকদের ওপর রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের কৌশল ব্যবহার করছে।
তবে বেইজিং বরাবরের মতোই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। চীনের দাবি, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এসব ভূরাজনৈতিক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

