...|...|...

বিশ্ব

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর বিবাদ প্রেমিক-প্রেমিকার ঝগড়ার মতো

টাইমস টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৯ জুন ২০২৬, দুপুর ১:৫৫ | আপডেট: ২৮ আগস্ট ২০২৬, সকাল ১০:২৬
Shares
ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর বিবাদ প্রেমিক-প্রেমিকার ঝগড়ার মতো

ছবি: সংগৃহীত

সম্প্রতি গণমাধ্যমের কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতা নিয়ে ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে সতর্ক করেন এবং লেবাননে হামলা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন হারানোর ঝুঁকির কথাও আলোচনায় আসে বলে উল্লেখ করা হয়।

তবে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েহিয়েল লাইটার এসব দাবিকে প্রত্যাখ্যান করে বলেন, দুই নেতার মধ্যে সম্পর্ক ছিল সহযোগিতামূলক এবং আলোচনার ধরন নিয়ে অতিরঞ্জিত ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে।

 ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “তাদের মধ্যে প্রায় ৪০ বছরের গভীর বন্ধুত্ব রয়েছে। কখনও কখনও প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে যেমন ঝগড়া হয়, তেমনি তাদের মধ্যেও মতবিরোধ ও উত্তেজনা দেখা দিতে পারে।”

তার মতে, মতপার্থক্য থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে কৌশলগত সমঝোতা এবং ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।

অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রকাশ্যে ইরান ও ইসরায়েল—উভয় পক্ষকেই সংঘাত বন্ধের আহ্বান জানান। তিনি সতর্ক করেন, শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে, যদি না “অজ্ঞতা বা মূর্খতা” এর পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

এদিকে নেতানিয়াহু এক টেলিভিশন বিবৃতিতে জানান, ইসরায়েলের আত্মরক্ষার পূর্ণ অধিকার রয়েছে এবং প্রয়োজনে তারা সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখবে। ইসরায়েলি সামরিক সূত্রগুলোও ইঙ্গিত দিয়েছে যে, পরিস্থিতি অনুযায়ী অভিযান চলতে পারে।

ইরানের পক্ষ থেকেও কঠোর প্রতিক্রিয়া এসেছে। তেহরানের সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের জন্য তারা প্রস্তুত এবং প্রয়োজনে এই অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থের ওপর পাল্টা আঘাত হানতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প–নেতানিয়াহুর সম্পর্ককে “প্রেমিক-প্রেমিকার ঝগড়া”র সঙ্গে তুলনা করা মূলত তাদের ঘনিষ্ঠ কিন্তু জটিল কূটনৈতিক সম্পর্কেরই প্রতিফলন, যেখানে মতবিরোধ থাকলেও কৌশলগত স্বার্থে সমন্বয় বজায় থাকে।

সূত্র: এনডিটিভি