চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শাটল ট্রেনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের ছবি ও নামসংবলিত পোস্টার সাঁটানো হয়েছে। পোস্টারে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া তাদের মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রত্যাখ্যানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে শাটল ট্রেনে এসব পোস্টার সাঁটানো হয়। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ট্রেনে পোস্টারগুলো দেখা যায়। এতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায়কে ‘ক্যাঙ্গারু কোর্টের প্রহসন’ উল্লেখ করে সাদ্দাম হোসেন ও শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাখ্যানের কথা বলা হয়েছে।
পোস্টারে সাদ্দাম হোসেনকে ‘সংগ্রামী সভাপতি’ এবং শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানকে ‘বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ সাদ্দাম হোসেন ও শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানসহ সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
এরই প্রেক্ষাপটে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অন্যতম যাতায়াতের মাধ্যম শাটল ট্রেনে তাদের ছবি ও নামসংবলিত পোস্টার সাঁটানোর ঘটনা ঘটেছে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনে এর আগেও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পোস্টার দেখা গেছে। গত ১১ মে রাতে বটতলী স্টেশনে থাকা শাটল ট্রেনে ছাত্রলীগের ‘রাজবন্দিদের’ মুক্তির দাবিতে প্রায় ৩০টি পোস্টার সাঁটানো হয়। ওই ঘটনার প্রতিবাদে পরদিন ক্যাম্পাসে মিছিল করে চবি শাখা ছাত্রদল।
এ ছাড়া গত মে মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেন এলাকা, লেডিস ঝুপড়ি, কলার ঝুপড়ি, প্রক্টর কার্যালয়ের সামনে ও মেরিন সায়েন্স ভবনের দেয়ালসহ বিভিন্ন স্থানে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের প্রায় ২০ থেকে ৩০টি পোস্টার দেখা যায়।


