...|...|...

বিশ্ব

কানাডার সামরিক ঘাঁটিতে বিস্ফোরণ-আগুন, নিহত অন্তত ৭

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, রাত ১১:৩২ | আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, রাত ১১:৩৫
Shares
কানাডার সামরিক ঘাঁটিতে বিস্ফোরণ-আগুন, নিহত অন্তত ৭

ছবি: সংগৃহীত

কানাডার আলবার্টা প্রদেশের একটি সামরিক প্রশিক্ষণ ঘাঁটিতে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে। তবে নিহতের সংখ্যা নিয়ে কর্মকর্তাদের বক্তব্যে ভিন্নতা রয়েছে।

শনিবার স্থানীয় সময় বিকেল ৪টার দিকে ওয়েনরাইট শহরের কাছে অবস্থিত কানাডিয়ান ফোর্সেস বেস ওয়েনরাইটের প্রশিক্ষণ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তীব্র বাতাসের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে সামরিক ঘাঁটির সীমানা ছাড়িয়ে আশপাশের গ্রামীণ এলাকায় পৌঁছে যায়।

রবিবার সংবাদ সম্মেলনে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি জানান, বিস্ফোরণ ও পরবর্তী অগ্নিকাণ্ডে অন্তত চারজন সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। তবে কানাডার গ্লোবাল নিউজ সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা অন্তত সাত।

কার্নি ঘটনাটিকে শান্তিকালীন সময়ে কানাডার মাটিতে সামরিক বাহিনীর অন্যতম ভয়াবহ ট্র্যাজেডি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক সদস্যদের পাশে রয়েছে সরকার।

কানাডার জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ডেভিড ম্যাকগুইন্টি শনিবার রাতে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে এমন ঘটনার কথা তাঁর মনে পড়ে না। বিস্ফোরণের কারণ জানতে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন সামরিক কর্মকর্তারা। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

রবিবার কানাডার জাতীয় প্রতিরক্ষা বিভাগ এক বিবৃতিতে জানায়, ঘটনাটি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণে ঘটেছে—এমন কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

গ্লোবাল নিউজকে কানাডীয় সশস্ত্র বাহিনীর একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সরাসরি গোলাবারুদ ব্যবহার করে প্রশিক্ষণ চলাকালে বিস্ফোরণটি ঘটে থাকতে পারে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো গ্যাস লাইন বা গ্যাস কূপে আঘাত লাগার ফলে বিস্ফোরণ ও আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

কানাডার অন্যতম বৃহৎ ও ব্যস্ত সামরিক প্রশিক্ষণকেন্দ্র সিএফবি ওয়েনরাইটে সেনাদের যুদ্ধ অভিযানের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। সেখানে অবস্থিত কানাডিয়ান ম্যানুভার ট্রেনিং সেন্টারে বাস্তবসম্মত যুদ্ধক্ষেত্রের মহড়াও পরিচালিত হয়।

ন্যাটোর সামরিক কমিটির চেয়ারম্যান অ্যাডমিরাল জিউসেপ্পে কাভো ড্রাগন এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এই শোক কানাডা একা বহন করছে না; মিত্র দেশগুলোর ৩২ জন প্রতিরক্ষা প্রধানই কানাডা ও দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর পাশে রয়েছেন।