কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মীম নামে এক প্রসূতির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উঠেছে ডা. কুলসুমা আক্তারের বিরুদ্ধে। নিহত মীম উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের বাগৈগ্রামের বাসিন্দা ও গৃহবধূ।
নিহতের স্বজন আবুল বাশার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে অভিযোগ করেন, সিজারের পরের দিন থেকেই মীমের পেট অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যায় এবং বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। অবস্থার অবনতি হলে ডা. কুলসুমার সিদ্ধান্ত ও তত্ত্বাবধানে তাকে কুমিল্লা টাওয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়।
স্বজনদের দাবি, সেখানে রাত প্রায় ১২টার দিকে ডা. কুলসুমা আবারও মীমের অস্ত্রোপচার করেন। কেন দ্বিতীয়বার অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়েছিল এবং প্রথম অস্ত্রোপচারে কী ঘটেছিল-এ নিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
আবুল বাশারের দাবি, দ্বিতীয় অস্ত্রোপচারের পর ডা. কুলসুমার পক্ষ থেকে জানানো হয়, রোগীর শরীর থেকে কিছু রক্ত বা জমাট পদার্থ পরিষ্কার করা হয়েছে। তবে এরপরও মীমের অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে কুমিল্লা মুন হাসপাতালে আইসিইউতে নেওয়া হয়।
স্বজনদের ভাষ্য, একদিন আইসিইউতে থাকার পর চিকিৎসকরা মীমের অবস্থা সংকটাপন্ন জানিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে তাকে লাইফ সাপোর্টে রেখে ঢাকার উদ্দেশে নেওয়া হলে পথেই চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় চিকিৎসায় কোনো অবহেলা হয়েছিল কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন নিহতের স্বজনরা।
তবে এ বিষয়ে ডা. কুলসুমা আক্তারের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।


