...|...|...

বিশ্ব

‘মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে’ যোগ দিতে চায় মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, বিকেল ৫:৩৯ | আপডেট: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, বিকেল ৫:৫৬
Shares
‘মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে’ যোগ দিতে চায় মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ

ছবি: এআই

তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সমন্বয়ে গঠিত ‘মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে’ যোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে সিরিয়া। এ নিয়ে জোটের প্রতিষ্ঠাতা দেশগুলোর সাথে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি।

সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহ জানায়, শনিবার (৩১ অক্টোবর) বাহরাইনে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সম্মেলন ‘মানামা ডায়ালগে’ বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ তথ্য জানান। আল-শাইবানি বলেন, মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে সিরিয়ার অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি মূল্যায়নের জন্য আলোচনা চলছে। তবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক আবেদন বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। 
গত ৭ আগস্ট সৌদি আরবের মক্কায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তির অন্যতম শর্ত অনুযায়ী, কোনো একটি সদস্য দেশের ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। 

এই জোটের আওতায় সদস্য দেশগুলোর মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, যৌথ সামরিক মহড়া, সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি যৌথ অস্ত্র উৎপাদন ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের বিষয়ও চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বাশার আল-আসাদের সরকারের পতনের পর সিরিয়া বর্তমানে সামরিক বাহিনী পুনর্গঠন এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে কাজ করছে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোয় নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতেও আগ্রহী দেশটি।

এর আগে গত আগস্টে পাকিস্তান সফরের সময়ও মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দেওয়ার আগ্রহের কথা জানিয়েছিলেন সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সে সময় তিনি জানিয়েছিলেন, চুক্তিটি পর্যালোচনা করছে দামেস্ক, তবে যোগ দেওয়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

সিরিয়া এই জোটে যুক্ত হলে মধ্যপ্রাচ্যের লেভান্ত অঞ্চলে তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের কৌশলগত প্রভাব আরও বিস্তৃত হতে পারে। তবে দীর্ঘদিনের সংঘাতের পর সিরিয়ার সামরিক বাহিনী এখনো পুনর্গঠনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। জোটে অন্তর্ভুক্তির জন্য প্রতিষ্ঠাতা তিন দেশের সর্বসম্মত অনুমোদনও প্রয়োজন হবে।

এদিকে, মিশরসহ আরও কয়েকটি দেশও এই নিরাপত্তা কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।