...|...|...

সারাদেশ

হেলে পড়া সেতুতে ঝুঁকি, দুর্ভোগে মাইনী-লংগদুর যাত্রীরা

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১২:৩৮
Shares
হেলে পড়া সেতুতে ঝুঁকি, দুর্ভোগে মাইনী-লংগদুর যাত্রীরা

সেতুর এক পাশ হেলে পড়েছে। ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ। অথচ বিকল্প পথ না থাকায় ঝুঁকি নিয়েই সেতু পার হচ্ছেন মোটরসাইকেল ও মাহিন্দ্রার যাত্রীরা। কেউ সেতুর কাছে এসে আটকে পড়ছেন, কেউ আবার মালামাল নিয়ে পড়ছেন বিপাকে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার মাইনী-লংগদু সড়কের বোয়ালখালী চৌমুহনী এলাকার স্টিল ব্রিজটিতে।

দুই দিন ধরে সেতুটি এ অবস্থায় থাকায় মাইনী ও লংগদু এলাকার সাথে দীঘিনালার সড়ক যোগাযোগে ভোগান্তি বেড়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, পাথরবোঝাই একটি ভারী যানবাহন সেতুটির ওপর ওঠার পর এর এক পাশ হেলে পড়ে। এরপর থেকে বড় ও ভারী যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।

তবে সড়ক যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন না হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে ছোট যানবাহন চলাচল করছে। মোটরসাইকেল, মাহিন্দ্রাসহ বিভিন্ন ছোট যানবাহন সেতুটি পার হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন যাত্রীদের চলাচল অব্যাহত রয়েছে, অন্যদিকে হেলে পড়া সেতুর ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, মাইনী ও লংগদুর মানুষের জন্য এই সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ। প্রতিদিন নানা প্রয়োজনে মানুষকে দীঘিনালা ও অন্যান্য এলাকায় যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু সেতুটিতে ভারী যান চলাচল বন্ধ থাকায় এখন যাত্রীদের ভোগান্তি বেড়েছে। বিশেষ করে দূরবর্তী এলাকা থেকে আসা মানুষ সেতুর কাছে এসে বিপাকে পড়ছেন।

ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মাইনী ও লংগদুগামী যাত্রীরাও সমস্যায় পড়ছেন। বড় যানবাহন সেতু পার হতে না পারায় অনেককে বিকল্প ব্যবস্থা নিতে হচ্ছে। এতে সময়ের পাশাপাশি বাড়ছে যাতায়াতের দুর্ভোগ। পণ্য পরিবহনেও এর প্রভাব পড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, এভাবে ঝুঁকি নিয়ে ছোট যানবাহন চলাচল অব্যাহত থাকলে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আবার সেতুটির ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়লে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ আরও দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে। তাই দ্রুত মেরামত শেষ করে নিরাপদে যান চলাচলের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগের কর্মকর্তা মাকসুদুর রহমান জানান, সেতুটির সমস্যার বিষয়টি নজরে এসেছে। এরই মধ্যে মেরামতের কাজ শুরু করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।