সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনায় বিধিনিষেধের কারণে বাংলাদেশের সাথে সরাসরি ও ট্রানজিট রুটে চলাচলকারী ১৭৪টি ফ্লাইটের কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। এতে এসব ফ্লাইটের প্রায় ২৩ হাজার ৭৭ জন যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। সংস্থাটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত মোট ফ্লাইটের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট ৯৭টি এবং বিভিন্ন দেশ হয়ে পরিচালিত ট্রানজিট ফ্লাইট ৭৭টি।
বেবিচক জানায়, সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৪৭টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ২১টি, রিয়াদ এয়ারের ১৯টি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি ফ্লাইট রয়েছে। অন্যদিকে ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ৩০টি, এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৮টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৮টি, সালাম এয়ারের ৭টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের ১টি ফ্লাইট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের হামলার পর সৃষ্টি হওয়া নিরাপত্তাজনিত বিধিনিষেধের কারণেই এই প্রভাব পড়েছে।
এর অংশ হিসেবে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ঢাকা থেকে সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মাম রুটে ফ্লাইট স্থগিত রাখে, যার মেয়াদ আজ ৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। আগামী ৭ নভেম্বর থেকে ঢাকা-দাম্মাম রুটে নিয়মিত ফ্লাইট চালুর ঘোষণা দেওয়া হলেও পর্যাপ্ত যাত্রী না থাকায় ঢাকা-রিয়াদ রুটের ফ্লাইট পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

