...|...|...

জাতীয়

সরকারি বাসায় সাবলেটের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান সরকারের

টাইমস টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, রাত ১০:৪২ | আপডেট: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, রাত ১১:১৮
Shares
সরকারি বাসায় সাবলেটের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান সরকারের

ছবি: সংগৃহীত

সরকারি আবাসিক ফ্ল্যাট বা বাসায় সাবলেট (অন্যের কাছে ভাড়া দেওয়া) বন্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে সরকার। সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের আওতাধীন বাসা বা ফ্ল্যাটের কোনো অংশ অথবা পুরো বাসা অন্যের কাছে ভাড়া দেওয়া থাকলে আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সেই ভাড়াটিয়াদের সরিয়ে নিজ নামে অবস্থান নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এ নির্দেশনা পালন না করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাসার বরাদ্দ বাতিলসহ বিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সরকারি আবাসন পরিদপ্তর এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের আওতাধীন সব সরকারি বাসা ও ফ্ল্যাটের বরাদ্দপ্রাপক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এ বিষয়ে অবগত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিদর্শন দলের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, কিছু বরাদ্দপ্রাপক তাদের নামে বরাদ্দ করা সরকারি বাসা বা ফ্ল্যাটের এক কক্ষ, দুই কক্ষ কিংবা সম্পূর্ণ বাসা অন্য ব্যক্তির কাছে সাবলেট বা ভাড়া দিয়েছেন। সরকারি বাসা এভাবে অন্যের কাছে ভাড়া দেয়া বা সাবলেট দেয়ার কার্যক্রম বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা, ১৯৮২-এর পরিপন্থী।

এ পরিস্থিতিতে সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের অধীন কোনো বাসা বা ফ্ল্যাটের সম্পূর্ণ অংশ কিংবা আংশিক অংশ, অর্থাৎ এক বা একাধিক কক্ষ অন্যের কাছে সাবলেট বা ভাড়া না দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে যারা বাসার কোনো অংশ বা সম্পূর্ণ বাসা ভাড়া দিয়েছেন, তাদের আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ভাড়াটিয়াদের অবশ্যই সরিয়ে দিতে হবে। একই সাথে নিজ নামে বরাদ্দ করা বাসায় যথানিয়মে অবস্থান বা বসবাস নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও সতর্ক করা হয়েছে, সরকার নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পরও কোনো সরকারি বাসা বা ফ্ল্যাটে সাবলেট কিংবা ভাড়া দেয়ার বিষয়টি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট বরাদ্দপ্রাপকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা, ১৯৮২ অনুযায়ী বাসার বরাদ্দ বাতিল করা হতে পারে। পাশাপাশি বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ও আইনগত ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে।

এ ছাড়া বিধিমালার ১৪(৩) অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট বরাদ্দপ্রাপকের অফিসপ্রধান ও নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হবে। একই সাথে ওই বরাদ্দপ্রাপকের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।