দেশের সাধারণ মানুষকে নিরাপদ, ভেজালমুক্ত ও মানসম্মত ওষুধ পৌঁছে দিতে এবং ওষুধ বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে একদশক আগে ‘বাংলাদেশ মডেল ফার্মেসি ইনিশিয়েটিভ’প্রকল্প গ্রহণ করে সরকার। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে সারাদেশে মডেল ফার্মেসি ও মডেল মেডিসিন শপের অনুমোদন ও কার্যক্রম সম্প্রসারণ শুরু করেছিল। কিন্তু তদারকির অভাব ও উদাসীনতায় এই উদ্যোগে নেমে এসেছে স্থবিরতা। কাগজে-কলমে মডেল ফার্মেসির জন্য কঠোর নীতিমালার কথা বলা হলেও বাস্তব চিত্র একেবারে ভিন্ন। ফলে এর প্রকৃত সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ রোগীরা।
সনদ জালিয়াতি
রাজধানীর পান্থপথে অবস্থিত এক মডেল ফার্মেসির দেয়ালে সুদৃশ্য ফ্রেমে বাঁধানো বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের ‘এ-গ্রেড’ রেজিস্ট্রেশন সনদ। সনদে থাকা ছবির ব্যক্তির নাম মো. তানভীর আহমেদ (ছদ্মনাম)। তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফার্মেসিতে পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন। কাগজে-কলমে তিনি এই মডেল ফার্মেসির প্রধান ফার্মাসিস্ট। তবে ড্রাগ লাইসেন্সের বাইরে দোকানের কাচের কাউন্টারে তানভীরের কোনো উপস্থিতি নেই। সেখানে বসে ওষুধ দিচ্ছেন অনভিজ্ঞ এক তরুণ, যিনি মাধ্যমিকের গণ্ডিও পার হননি।
প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার বিনিময়ে লাইসেন্স পাওয়ার সুবিধার্থে নিজের ফার্মেসি সনদটি ওই দোকানের কাছে ‘ভাড়া’ দিয়েছেন তানভীর। শুধু তানভীর নয় তার মতো শত শত ফার্মাসিস্টের সনদের ওপর ভর করে রাজধানীসহ বিভিন্ন বিভাগীয় শহরগুলোতে গড়ে উঠেছে তথাকথিত ‘মডেল ফার্মেসি’।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস। এবারের বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবসের প্রতিপাদ্য- ‘সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য ফার্মাসিস্টদের ক্ষমতায়ন’। টাইমস টুডের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে সনদ ভাড়ার এই নীরব জালিয়াতি এবং অভিজ্ঞ ফার্মাসিস্ট ছাড়াই ওষুধ বিক্রির এক ভয়াবহ চিত্র।
কাগজে-কলমে মডেল
ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের (ডিজিডিএ) নীতিমালা অনুযায়ী, একটি মডেল ফার্মেসিতে এ-গ্রেডের গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্ট থাকা বাধ্যতামূলক, যিনি রোগীদের ওষুধের সঠিক মাত্রা ও ব্যবহার সম্পর্কে পরামর্শ দেবেন। এ ছাড়া ওষুধ সংরক্ষণে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) পরিবেশ, নির্দিষ্ট তাপমাত্রার রেফ্রিজারেটর এবং চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকার কথা।
কিন্তু রাজধানীর ধানমন্ডি, পান্থপথ, মোহাম্মদপুর, শাহবাগ, মিরপুর এলাকার অন্তত ২০টি মডেল ফার্মেসিতে সরেজমিনে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। এর মধ্যে ১২টি দোকানেই কোনো গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টের দেখা মেলেনি। কাউন্টারে থাকা ক্যাশিয়ারদের কাছে ‘এ-গ্রেড’ ফার্মাসিস্টের খোঁজ জানতে চাইলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই উত্তর আসে- ‘স্যার তো একটু বাইরে গেছেন’ অথবা ‘বিকেলে আসবেন’। পান্থপথ আর গ্রিনরোডের উভয়দিকে তাকালেই চোখ পড়বে প্রায় শ’খানিক ফার্মেসি। বেশিরভাগ ফার্মেসিগুলোতে একদিকে নেই কোনো ফার্মাসিস্ট অন্যদিকে রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদও শেষ হয়ে গেছে।
নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এবং স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, বাস্তবে এসব নিয়মের অধিকাংশেরই প্রতিফলন নেই। অনেক ফার্মেসিতে গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টের কোনো উপস্থিতিই পাওয়া যায় না; কেবল সার্টিফিকেট ঝুলিয়ে রেখে প্রশিক্ষণহীন কর্মচারীদের দিয়েই চলছে ওষুধ বিক্রি। আবার বিদ্যুৎ বিল বাঁচাতে অনেক দোকানে এসি বন্ধ রাখা হচ্ছে, যা ওষুধের গুণগত মান ও কার্যকারিতা নষ্ট করছে। কোনো কোনো স্থানে প্রেসক্রিপশন ছাড়াই অবাধে বিক্রি হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিকের মতো স্পর্শকাতর ওষুধ। তাছাড়া সারাদেশের লাখ লাখ ওষুধের দোকানের বিপরীতে স্বীকৃত মডেল ফার্মেসির সংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য। যেগুলো রয়েছে, সেগুলোর বেশিরভাগই বিভাগীয় শহর কিংবা অভিজাত এলাকায় সীমাবদ্ধ। ফলে তৃণমূল ও সাধারণ মানুষের কাছে মডেল ফার্মেসির ধারণাটি এখনো অজানা বা অনুপস্থিত।
ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের (ডিজিডিএ) তথ্যমতে, চাহিদার চেয়ে দ্বিগুণের বেশি ওষুধের দোকান থাকার পরও মাসে গড়ে ২৩৭টি নতুন বিক্রয়কেন্দ্রের অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে। ডিজিডিএর নিয়ম অনুযায়ী, একটি মডেল ফার্মেসির জন্য ন্যূনতম ৩০০ বর্গফুট এবং মডেল মেডিসিন শপের জন্য ১২০ বর্গফুট পাকা স্পেস, এসি এবং ইনসুলিন বা ভ্যাকসিন রাখার জন্য সচল ফ্রিজ থাকা বাধ্যতামূলক। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত ৪ হাজার ২৯টি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে মডেল ফার্মেসি মাত্র ৭৯টি, যা মোট অনুমোদনের মাত্র ১ দশমিক ৯৬ শতাংশ।
এর বাইরে অনিবন্ধিত ফার্মেসি আছে প্রায় এক লাখ। সেগুলোকেও নিবন্ধনের আওতায় আনতে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে ডিজিডিএ, তবে মডেল ফার্মেসি নিয়ে এত তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্তে আসা যাচ্ছে না বলছে কর্তৃপক্ষ। তারা বলছেন, বিক্রয়কেন্দ্রগুলো আমাদের শর্ত দেখছে না, ভাড়ার দিক চিন্তা করে একেবারে ছোট্ট ঘরে করা হচ্ছে। অথচ শর্ত অনুযায়ী, মডেল ফার্মেসির জন্য ৩০০ ফুট জায়গা লাগবে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা ছাড়াও এ ক্যাটাগরির গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্ট বাধ্যতামূলক। কিন্তু এসব শর্ত অনেক ক্ষেত্রেই মানা হচ্ছে না।
যেভাবে চলে ‘সনদ ভাড়া’ বাণিজ্য
অনুসন্ধানে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ফার্মেসি ডিগ্রিধারীদের সনদ বার্ষিক চুক্তিতে ভাড়া নেওয়া হয়। পান্থপথ সংলগ্ন কয়েকটি মডেল ফার্মেসির সেলসম্যানকে অ্যান্টিবায়োটিকের সঠিক ডোজ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে, তিনি কোনো উত্তর দিতে পারেননি। প্রেসক্রিপশন ছাড়াই চাওয়া মাত্রই দেওয়া হচ্ছে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক ও স্টেরয়েড।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেসরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি গ্র্যাজুয়েট জানান, পাস করার পর শুরুতে অনেক তরুণ ফার্মাসিস্ট কাঙ্ক্ষিত চাকরি পান না। এই সুযোগে কিছু ফার্মেসি মালিক বছরে ৩০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা চুক্তিতে তাদের সার্টিফিকেট ও ড্রাগ রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করার প্রস্তাব দেন। অনেক শিক্ষার্থী কেবল বাড়তি আয়ের জন্য এই ফাঁদে পা দেন। তারা দোকানে একদিনও যান না, শুধু লাইসেন্স নেওয়ার সময় কাগজপত্র জমা দেন।
আইন অনুযায়ী একজন গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টের কাজ হলো ওষুধের 'ড্রাগ-ড্রাগ ইন্টারঅ্যাকশন' (এক ওষুধের সাথে অন্য ওষুধের বৈরী প্রতিক্রিয়া) পরীক্ষা করা। কিন্তু প্রশিক্ষিত ফার্মাসিস্ট না থাকায় সাধারণ কাউন্টার বয়েরা ভুল ওষুধ দিয়ে ফেলছেন অথবা চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনের অক্ষর বুঝতে না পেরে অন্য গ্রুপের ওষুধ গছিয়ে দিচ্ছেন। এতে চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন রোগীরা।
তদারকির অভাব ও বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ফার্মাসিস্টদের কাজ শুধু ওষুধ বিক্রি করা নয়, রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন রিভিউ করে ওষুধের মাত্রা ঠিক আছে কিনা তা যাচাই করার দায়িত্ব ফার্মাসিস্টের। কিন্তু সেই গুরুত্বপূর্ণ ধাপটি বাদ দিয়েই দেশের সিংহভাগ ওষুধ কেনাবেচা চলছে।
ফার্মেসি কাউন্সিলের এক সাবেক কর্মকর্তা বলেন, ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ডিজিডিএ) থেকে নিয়মিত ঝটিকা অভিযান বা ভিজিল্যান্স না থাকায় এই নৈরাজ্য চলছে। একটি সনদ দিয়ে একাধিক দোকান লাইসেন্স নেওয়ার সুবিধাও তৈরি করছে ডিজিটাল তদারকির অভাবে।
বিশ্বজুড়ে যখন চিকিৎসাসেবার অন্যতম মূল স্তম্ভ হিসেবে ফার্মাসিস্টদের সম্মান জানানো হচ্ছে, তখন দেশে নিজেদের সনদের এই বাণিজ্যিকীকরণ এবং ফার্মাসিস্টদের অনুপস্থিতিতে ওষুধ ব্যবসা রোগীকে ঠেলে দিচ্ছে এক নীরব মৃত্যুর দিকে। স্বাস্থ্য খাতের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এখনই এই 'সনদ ভাড়া' বাণিজ্য বন্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ এবং মডেল ফার্মেসিগুলোতে বায়োমেট্রিক বা ডিজিটাল উপস্থিতির নিয়ম চালু করা জরুরি।
ঔষুধ প্রশাসন অধিদফতরের পরিচালক ড. মো.আকতার হোসেন টাইমস টুডেকে বলেন, ওষুধের সঠিক ব্যবস্থাপনা ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি সকল হাসপাতালে গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্ট নিয়োগ দিতে হবে। তিনি বলেন, বিশ্বের প্রায় সকল উন্নত দেশেই ফার্মাসিস্টদের তদারকি ছাড়া ওষুধ বিক্রি করা হয় না। অথচ আমাদের দেশে কোনো সরকারি হাসপাতালে নিবন্ধিত ফার্মাসিস্টের কোনো পদই নেই। কেবল হাসপাতাল পরিচালনা বা চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগ দিলেই স্বাস্থ্য খাতের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়, বরং ওষুধ সঠিকভাবে রাখা, রোগীদের প্রেসক্রিপশন পর্যালোচনা করা এবং ওষুধ সংক্রান্ত ভুলভ্রান্তি এড়াতে গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টদের কার্যকর ভূমিকা রয়েছে।
মডেল ফার্মেসি ও সাধারণ ফার্মেসিগুলোর বিষয়ে পরিচালক বলেন, শুধু তদারকি বাড়িয়ে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়, কারণ অনেকেই নিয়ম মেনে শুরুতে লাইসেন্স নিলেও পরে আর ফার্মাসিস্ট রাখেন না। ফার্মাসিস্টদের উপযুক্ত বেতন না দেওয়া এবং সামাজিক মানসিকতার অভাবও অন্যতম কারণ।
স্কয়ার, ইউনাইটেড কিংবা এভারকেয়ারের মতো বেসরকারি হাসপাতালগুলোর উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, সেখানে বহু ফার্মাসিস্ট সফলভাবে কাজ করে রোগীদের সেবার মান বাড়াচ্ছেন। স্বাস্থ্য অধিদফতর (ডিজি হেলথ) যদি হাসপাতালগুলোর অনুমোদনের শর্ত হিসেবে ডাক্তার ও নার্সের পাশাপাশি 'গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্ট' থাকাও বাধ্যতামূলক করে তবেই এ খাতে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।
বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের পরিচালক (প্রশাসন ও পরিদর্শন) জনাব মো. আসিফ হাসান টাইমস টুডেকে বলেন, বাংলাদেশে যত্রতত্র গড়ে ওঠা ফার্মেসি ও ওষুধ বিতরণ প্রক্রিয়ায় দক্ষ জনবল ও প্রশিক্ষণের তীব্র ঘাটতি রয়েছে। আইন অনুযায়ী কোনো ওষুধের দোকান লাইসেন্স পেতে হলে অন্তত একজন ডিপ্লোমাধারী ফার্মেসি টেকনিশিয়ান থাকা বাধ্যতামূলক হলেও বাস্তবে তা মানা হচ্ছে না এমনকি মডেল ফার্মেসিগুলোতেও প্রশিক্ষিত জনবলের অভাব রয়েছে। এ বিষয়ে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের আরও কার্যকর তদারকি ও সচেতন ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস পালিত হলেও দেশের হাসপাতাল বা কমিউনিটি পর্যায়ে গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টদের পদ না থাকায় সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফলে বাধ্য হয়েই এদেশের দক্ষ ফার্মাসিস্টরা বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছেন এবং উন্নত বিশ্বের স্বাস্থ্যসেবায় সুনাম অর্জন করছেন। দেশে যদি তাদের জন্য যথাযথ পদ ও সুযোগ-সুবিধা তৈরি করা যায়, তবে দেশের মানুষই সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে।
তার মতে, ওষুধ কোনো সাধারণ পণ্য নয়, বরং রোগীর সুস্থতার মূল নিয়ামক। সঠিক চিকিৎসা ও এর অপচয় রোধে গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টদের যুক্ত করে ওষুধ সংরক্ষণ, সঠিক মাত্রায় ডিসপেন্সিং ও রোগী কাউন্সেলিং নিশ্চিত করা জরুরি। স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে ওষুধ প্রশাসন ও ফার্মাসিস্টদের সমন্বিত উদ্যোগ এবং সাধারণ মানুষের মাঝে ওষুধের যৌক্তিক ব্যবহারের সচেতনতা তৈরিই এ ক্ষেত্রে মূল লক্ষ্য।

