হায়দরাবাদে ব্যাটারদের দাপটের ম্যাচে ভারতকে ২৪ রানে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২৪৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২২৩ রানেই থেমে যায় ভারতের ইনিংস। এই জয়ে সিরিজের সমীকরণ ২-২ হওয়ায় শেষ ম্যাচটি এখন অঘোষিত ফাইনালে পরিণত হয়েছে।
ক্যারিবীয়দের জয়ের নায়ক অধিনায়ক শাই হোপ। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে মাত্র ৫০ বলে অপরাজিত ১০২ রান করেন তিনি। তার ইনিংসের সুবাদে ম্যাচসেরার পুরস্কারও জেতেন হোপ। তাকে দারুণ সঙ্গ দেন শেরফেন রাদারফোর্ড। ২৬ বলে ৪৯ রানে অপরাজিত থাকেন এই ব্যাটার। তার ইনিংসে ছিল চারটি চার ও তিনটি ছক্কা। এ ছাড়া শিমরন হেটমায়ার ১২ বলে ৩৩, জুয়েল অ্যান্ড্রু ১৬ বলে ২১ এবং রভম্যান পাওয়েল ১৭ বলে ২৪ রান করেন।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিল ভারত। সাঞ্জু স্যামসন মাত্র ২৩ বলে ৫৬ রান করে দলকে জয়ের পথে রাখেন। তবে কিমো পলের বলে হেটমায়ারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরলে ভারতের ছন্দে ব্যাঘাত ঘটে। ইশান কিশানও ৬ রানের বেশি করতে পারেননি।
এরপর অভিষেক শর্মা ২৪ বলে ২৯ এবং শ্রেয়াস আইয়ার ১১ বলে ১৬ রান করলেও প্রয়োজনীয় গতিতে এগোতে পারেনি ভারত। নমন ধির প্রথম বলেই শূন্য রানে স্টাম্পড হন। গুডাকেশ মোটি দুই ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে দুটি উইকেট তুলে নিয়ে ভারতের ওপর চাপ বাড়ান।
তিলক বর্মা ও নীতীশ রেড্ডি পাল্টা লড়াইয়ের চেষ্টা করেন। তিলক ২৫ বলে ৪৩ এবং নীতীশ ২০ বলে ৪১ রান করেন। তবে তাদের বিদায়ের পর ভারতের জয়ের আশা ফিকে হয়ে যায়। চোটের কারণে অর্শদীপ সিং ৫ রানে অবসর নেন। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয় ভারত।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন কিমো পল। চার ওভারে ৪১ রান দিয়ে পাঁচটি উইকেট নেন তিনি। তার বিধ্বংসী বোলিংয়েই ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ বড় ধাক্কা খায়।
এই জয়ে সিরিজে ঘুরে দাঁড়ানোর পাশাপাশি ওয়েস্ট ইন্ডিজ শেষ ম্যাচে জয়ের সম্ভাবনাও জোরালো করেছে। এখন সিরিজের ভাগ্য নির্ধারণ হবে শেষ লড়াইয়ে।


