উত্তর কোরিয়ার প্রধান বন্দর নগরী ওয়ানসান থেকে পূর্ব উপকূলের সাগরের দিকে অন্তত একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ৭০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ জানান, কোরিয়ান উপদ্বীপের পূর্ব উপকূলীয় বন্দর নগরী ওয়ানসান থেকে উত্তর কোরিয়া এই ক্ষেপণাস্ত্রটি নিক্ষেপ করেছে।
আল জাজিরা বলছে, এই উৎক্ষেপণের পরপরই পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে সিউলে রাষ্ট্রপতির জাতীয় নিরাপত্তা কার্যালয় থেকে একটি জরুরি সভা আহ্বান করা হয়—এমনটি জানানো হয়েছে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে।
দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী সম্ভাব্য পরবর্তী উৎক্ষেপণগুলোর জন্য উচ্চ সতর্কবার্তা জারি করেছে এবং বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সাথে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান করার কথা জানিয়েছে।
এদিকে, জাপানও শনিবার একটি জরুরি সতর্কবার্তা জারি করে জানিয়েছে যে, উত্তর কোরিয়া একটি সন্দেহভাজন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক কমান্ড জানিয়েছে যে তারা এই উৎক্ষেপণের বিষয়টি সম্পর্কে অবগত রয়েছে এবং মার্কিন মিত্র ও অংশীদারদের সাথে নিবিড়ভাবে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তারা বলেছে, বর্তমান মূল্যায়নের ভিত্তিতে, এই ঘটনাটি মার্কিন কর্মী বা ভূখণ্ড কিংবা আমাদের মিত্রদের জন্য কোনো তাৎক্ষণিক হুমকি সৃষ্টি করে না।
এদিকে, এর একদিন আগেই উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জং দক্ষিণ কোরিয়ার সেই দাবিকে উপহাস করেন, যেখানে সিউল ও যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন জাতিসংঘ কমান্ড অভিযোগ করেছিল যে সামরিক সীমারেখার দক্ষিণে স্থাপিত উত্তর কোরিয়ার ল্যান্ডমাইনের বিস্ফোরণে দক্ষিণ কোরিয়ার সেনারা আহত হয়েছেন।


