...|...|...

বিশ্ব

বিতর্কিত কুরিল দ্বীপে পুতিনের প্রথম সফর, জাপানের কড়া প্রতিবাদ

টাইমস টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ২:১০ | আপডেট: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১:০৫
Shares
বিতর্কিত কুরিল দ্বীপে পুতিনের প্রথম সফর, জাপানের কড়া প্রতিবাদ

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রথমবারের মতো বিতর্কিত কুরিল দ্বীপপুঞ্জের ইতুরুপ দ্বীপ সফর করেছেন। ছবি: সংগৃহীত

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রথমবারের মতো বিতর্কিত কুরিল দ্বীপপুঞ্জের ইতুরুপ দ্বীপ সফর করেছেন, যা জাপানে এতোরোফু নামে পরিচিত। বৃহস্পতিবার এই সফরের কথা জানিয়েছে রুশ রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। সফরকালে ইতুরুপে একটি মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা, একটি হাসপাতাল ও একটি স্কুল পরিদর্শন করেন পুতিন, এবং সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গেও কথা বলেন। এ ছাড়া তিনি সাখালিন অঞ্চলের গভর্নর ভ্যালেরি লিমারেঙ্কোর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।

পুতিনের এই সফরের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে জাপান। জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিৎসু মোতেগি বলেন, তার দেশ ইতুরুপ সফরের বিরুদ্ধে ‘কঠোর প্রতিবাদ’ জানাচ্ছে।

তিনি বিবৃতিতে বলেন, এতোরোফুসহ উত্তর ভূখণ্ডগুলো ঐতিহাসিক ও আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিকোণ থেকে জাপানের অবিচ্ছেদ্য ভূখণ্ড। এই প্রতিবাদ জানাতে তিনি রুশ রাষ্ট্রদূত নিকোলাই নোজদ্রেভকে তলব করেন এবং দ্রুত এই বার্তা মস্কোতে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ জানান।

জবাবে জাপানে থাকা রুশ দূতাবাস টোকিওর এই প্রতিবাদকে ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে জানায়, দক্ষিণ কুরিল দ্বীপপুঞ্জ বৈধ আন্তর্জাতিক ভিত্তিতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর রাশিয়ার অংশে পরিণত হয়েছে।

জাপান-রাশিয়া সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই এই বিতর্কিত দ্বীপপুঞ্জ ঘিরে জটিল হয়ে আছে, যা জাপানে ‘উত্তরাঞ্চলীয় ভূখণ্ড’ নামে পরিচিত এবং ১৯৪৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করে নিয়েছিল। মূলত দ্বীপগুলোর মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিনের এই বিরোধের কারণেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে এখন পর্যন্ত রাশিয়া ও জাপান আনুষ্ঠানিক শান্তিচুক্তি সই করতে পারেনি।

বছরের পর বছর ধরে চলা কূটনৈতিক প্রচেষ্টাও এই বিরোধ নিরসনে দৃশ্যমান কোনো ফল আনতে পারেনি। একই সঙ্গে মস্কো ধারাবাহিকভাবে কুরিল দ্বীপপুঞ্জে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে, যা এই বিরোধে রাশিয়ার দৃঢ় অবস্থানকেই প্রতিফলিত করে।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালে রুশ প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিন ইতুরুপ সফর করলেও তখন একইভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছিল জাপান