...|...|...

সারাদেশ

বাইক কিনতে গিয়ে চালানোর নামে উধাও, ট্রাফিক কর্মকর্তার ছেলেকে গণপিটুনি

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৪ নভেম্বর ২০২৬, রাত ১২:৫২
Shares
বাইক কিনতে গিয়ে চালানোর নামে উধাও, ট্রাফিক কর্মকর্তার ছেলেকে গণপিটুনি

ছবি: টাইমস টুডে

সাতক্ষীরায় ফেসবুকে মোটরসাইকেল কেনার আগ্রহ দেখিয়ে চালিয়ে পরীক্ষা করার কথা বলে বাইক নিয়ে উধাও হওয়ার অভিযোগে এক কিশোরকে আটক করে গণপিটুনি দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে শহরের এপেক্স জুতার শোরুমের সামনে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই কিশোরকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

আটক কিশোরের নাম সিয়ামউর রহমান (১৫)। সে সাতক্ষীরা ট্রাফিক পুলিশে কর্মরত টিএসআই (ট্রাফিক সাব-ইন্সপেক্টর) শফিকুল ইসলামের ছেলে এবং নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফেসবুকে ইয়ামাহা আর১৫ মোটরসাইকেল বিক্রির বিজ্ঞাপন দেন ইশরাক ও অনিক নামের দুই যুবক। পরে একটি ভুয়া ফেসবুক আইডি থেকে তাদের সাথে যোগাযোগ করে সিয়ামউর রহমান। গত ১৬ অক্টোবর সাতক্ষীরা সদর উপজেলার এল্লারচর এলাকায় মোটরসাইকেলটি দেখতে যায় সে। সেখানে গিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে পরীক্ষা করার কথা বলে সেটি নিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন বিক্রেতারা।

ঘটনার নয় দিন পর শহরের একতা ক্লিনিকের সামনে পরিত্যক্ত অবস্থায় মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে পুলিশ। পরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে গাড়িটি প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এদিকে মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর শহরের এপেক্স জুতার শোরুমে ছেলেকে নিয়ে জুতা কিনতে যান ট্রাফিক পুলিশের টিএসআই শফিকুল ইসলাম। এ সময় মোটরসাইকেল নিয়ে উধাও হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত সিয়ামকে শনাক্ত করেন ভুক্তভোগী ইশরাক ও অনিক। পরে স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে তাকে আটক করে মারধর করেন।

সাতক্ষীরা থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সিয়ামকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। সে পুলিশ পরিবারের সন্তান হলেও অপরাধের অভিযোগ থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলার প্রস্তুতি চলছে।