...|...|...

জাতীয়

বইমেলা হোক শিক্ষা-সংস্কৃতি বিকাশের সূতিকাগার: প্রধানমন্ত্রী

বইমেলা হোক শিক্ষা-সংস্কৃতি বিকাশের সূতিকাগার: প্রধানমন্ত্রী

Times Today
প্রকাশ: ১১ মে ২০২৬, ভোর রাত ৫:১৪ | আপডেট: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ১২:৫৭
Shares
বইমেলা হোক শিক্ষা-সংস্কৃতি বিকাশের সূতিকাগার: প্রধানমন্ত্রী

অমর একুশে বইমেলাকে কেবল নিছক বই কেনাবেচার উৎসব হিসেবে নয়, বরং একে শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিকাশের প্রধান সূতিকাগার হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) অমর একুশে বইমেলা ও অনুষ্ঠানমালা ২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করে এই আহ্বান জানান তিনি।

বই শুধু বিদ্যা শিক্ষা বা অবসরের সঙ্গী নয়, বরং বই পড়া মস্তিষ্কের জন্য এক ধরনের ব্যাংক উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস মানুষের স্মৃতিশক্তি ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা বাড়ায় এবং আলজাইমার বা ডিমেনশিয়ার মতো রোগের ঝুঁকি কমায়।’

তরুণ প্রজন্মের ইন্টারনেটে আসক্তি ও বইবিমুখতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘ইন্টারনেটে বই পড়া গেলেও কাগজের পাতায় কালো অক্ষরের গভীরতা অন্য কোথাও পাওয়া সম্ভব নয়।

গবেষকরা বলছেন, অতিরিক্ত ইন্টারনেট আসক্তি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার আগ্রহ কমিয়ে দেয়।  তাই তরুণদের বইয়ের প্রতি আগ্রহী করে তোলার উপায় আমাদের বের করতে হবে।’

১০২টি দেশের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাসে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৭তম, যা অত্যন্ত উদ্বেগের জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে একজন মানুষ বছরে গড়ে মাত্র ৩টি বই পড়েন।  এই পরিস্থিতির পরিবর্তনে অমর একুশে বইমেলাকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার তাগিদ দেন তিনি।
 
আগামী বছরগুলোতে অমর একুশে বইমেলাকে ‘অমর একুশে আন্তর্জাতিক বইমেলা’ হিসেবে আয়োজন করার প্রস্তাব করেন প্রধানমন্ত্রী।  এর মাধ্যমে বিশ্ব সাহিত্যের সাথে আমাদের নাগরিকদের পরিচয় ঘটবে এবং বহু ভাষা ও সংস্কৃতি শেখার সুযোগ তৈরি হবে- এমনটাই বিশ্বাস করেন তিনি।

একইসাথে বাংলা ভাষাকে জাতিসংঘের অফিশিয়াল ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ের লক্ষ্যে কাজ শুরু করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন তিনি।