প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুক্তরাষ্ট্র সফরকে কেবল একটি সফর নয়, এটিকে বাংলাদেশের স্বার্থ, মর্যাদা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশ্বমঞ্চে নতুন ইতিহাসের সূচনা বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টে মাহদী আমিন লিখেছেন, এটি শুধু একটি বিদেশ সফর নয়। এটি শুধু জাতিসংঘে দেশকে তুলে ধরা নয়। এটি জনগণের আকাঙ্ক্ষার আন্তর্জাতিক বহিঃপ্রকাশ। এটি আবেগ, অনুভূতি ও আদর্শের ঐতিহ্য। এটি বাংলাদেশের স্বার্থ, মর্যাদা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশ্বমঞ্চে নতুন ইতিহাসের সূচনা।
সফরের সংক্ষিপ্ত পরিসর ও মিতব্যয়িতার প্রশংসা করে তিনি জানান, সম্পূর্ণ সফরটি মাত্র ছয় দিনের। যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া ও আসার দুই দিন বাদ দিলে কাজের দিন মাত্র চার দিন। এই স্বল্পতম সময়ে এক মুহূর্তও নষ্ট না করে প্রধানমন্ত্রী একের পর এক দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক বৈঠক, জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচি এবং দেশের স্বার্থে অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করবেন।
এই সফরে তার সাথে মাত্র ৩৫ জনের একটি সংক্ষিপ্ত ও অত্যাবশ্যকীয় বহর রয়েছে, যার মধ্যে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী মিলিয়ে ১৫ জন এবং বাকিরা নিরাপত্তা, মিডিয়া ও ব্যক্তিগত দায়িত্ব পালনের সাথে যুক্ত। প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত ফ্লাইটে করে এই সফরে অংশ নিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম ও গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে অর্জিত রাজনৈতিক পরিবর্তনের কথা স্মরণ করে মাহদী আমিন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর তাদের সন্তান, জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে দাঁড়াতে যাচ্ছেন।
একই পরিবারের তৃতীয় প্রতিনিধি হিসেবে তিনি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরবেন বাংলাদেশের মানুষের কথা, দেশের স্বার্থ, সরকারের নীতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা। বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে গণতান্ত্রিক সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনার এই যাত্রায় প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দেশের ভাবমূর্তিকে আরও উজ্জ্বল করবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।



